দৃশ্যকল্প-১ রাষ্ট্রের সরকারি অর্থব্যবস্থার কাজকে নির্দেশ করে।সাধারণভাবে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে রাষ্ট্রের আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত নীতি ও পদ্ধতিকে বোঝায়। বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। সরকারের আয়ের যত উৎস রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি উৎস হলো কর রাজস্ব। বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্পকারখানার ওপর কর ধার্য করে। বিভিন্ন পণ্যের ওপর কর ধার্য করা হয়। সরকার প্রতিবছর জুন মাসে জাতীয় সংসদে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য জাতীয় বাজেট পেশ করেন। সে বাজেটে সরকারের আয় ও ব্যয়ের খাত নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। বাজেটে বিভিন্ন পণ্যের ওপর ধার্যকৃত নির্ধারিত কর হারের উল্লেখ থাকে এবং তাতে ব্যয়ের জন্য বিভিন্ন খাতে চূড়ান্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়। একটি দেশের বাজেটের আকার, আয় ও ব্যয়ের সম্ভাব্য উৎস, নির্ধারিত কর হার ইত্যাদি থেকে সরকারের অর্থব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। যা রাষ্ট্রের মূখ্য কার্যাবলির অন্তর্গত।দৃশ্যকল্প: ১-এ দেখা যায়, জাতীয় সংসদে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়। এতে বিভিন্ন পণ্যের ওপর ধার্যকৃত করের হার নির্ধারিত হয় এবং বিভিন্ন খাতের ব্যয় বরাদ্দও চূড়ান্ত হয়। যেটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থব্যবস্থাপনা কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সুতরাং দৃশ্যকল্প-১ রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মূখ্য কার্যাবলিকে নির্দেশ করছে।