উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি হলো DNA জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক ও বাহক। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো-DNA-তে অসংখ্য জিন থাকে। বংশগতির নিয়ন্ত্রক হলো জিন। জিন জীবের সব অদৃশ্য ও দৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন- মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি। এসব বৈশিষ্ট্য এক বা একাধিক জিন নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। জিনগুলো সাধারণত DNA অণুসূত্রের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পরপর সাজানো থাকে। এজন্য DNA-ই জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো যৌনজননের সময় গ্যামেটের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় নতুন প্রজন্মে বহন করে নিয়ে যায় DNA I এছাড়া জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়। জীবের মিউটেশনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে DNA। আর মিউটেশন হলো অভিব্যক্তির মূল উপাদান। DNA-র মিউটেশনের কারণেই এক প্রজন্ম হতে অন্য প্রজন্মে বৈশিষ্ট্যের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। জীবে নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি হয়। এজন্যই বংশগতির আণবিক বা রাসায়নিক ভিত্তি হলো DNA Iপরিশেষে বলা যায় DNA-ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক, যা জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সরাসরি বহন করে মাতাপিতা থেকে তাদের বংশধরে নিয়ে যায়।