উদ্দীপকে উল্লিখিত S দ্বারা গৌণ নিউক্লিয়াসের সাথে একটি পুং গ্যামেটের মিলন তথা সস্যটিস্যু এবং T দ্বারা ডিম্বাণুর সাথে অপর পুং গ্যামেটের মিলন তথা জাইগোটকে বোঝানো হয়েছে। ছিনিষেক প্রক্রিয়ায় একই সময়ে দুটি পুং গ্যামেটের একটি গৌণ নিউক্লিয়াস ও অপরটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়। উদ্ভিদের পরিস্ফুটনে জাইগোট ও সস্যটিস্যু বিশেষ ভূমিকা পালন করে।নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-ভূণথলির অভ্যন্তরে একটি পুংজনন কোষ ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট সৃষ্টি করে এবং অপর পুংজনন কোষটি গৌণ নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে ট্রিপ্লয়েড সস্য কোষ সৃষ্টি করে। জাইগোট হলো স্পোরোফাইটের প্রথম কোষ। এর প্রথম বিভাজনে দুটি কোষ সৃষ্টি করে। একই সাথে সস্যের পরিস্ফুটনও ঘটতে শুরু করে। জাইগোটের অনুপ্রস্থ বিভাজন, ঘটে। জাইগোটের অনুপ্রস্থ বিভাজনে সৃষ্ট ডিম্বকরন্দ্রের দিকের কোষকে ভিত্তি কোষ এবং ভূণথলির কেন্দ্রের দিকের কোষটিকে এপিক্যাল কোষ বলা হয়। এ কোষ দুটির একই সাথে বিভাজন চলতে থাকে। ধীরে ধীরে এপিক্যাল কোষটি ভূণে পরিণত হয়। একই সাথে ভিত্তি কোষ থেকে ভূণধারক গঠিত হয়। ক্রমশ বীজপত্র, ভূণমূল ও ভূণকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। ক্রমান্বয়ে গৌণ নিউক্লিয়াসটি ট্রিপ্লয়েড সস্য টিস্যু উৎপন্ন করে। পরিণত অবস্থায় ডিম্বকটি সস্য ও ভূণসহ বীজে রূপান্তরিত হয়। এ বীজ অঙ্কুরিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদের পরিস্ফুটন ঘটে।পরিশেষে বলা যায়, জাইগোট ও সস্যটিস্যু উদ্ভিদের পরিস্ফুটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।