উদ্দীপকে বিখ্যাত ব্যবস্থাপক ফ্রেডারিক উইন্সলো টেলরের কথা বলা হয়েছে। তা নিচে ব্যাখা করা হলোঃএফ. ডব্লিউ. টেলর মিডভেল স্টিল কোম্পানিতে ১৮৭৮ সালে শ্রমিক হিসেবে যোগ দেন।কাজের দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পদোন্নতির ধারাবাহিকতায় তিনি মাত্র ২৮ বছর বয়সে কোম্পানির প্রধান প্রকৌশলী পদ লাভ করেন।উৎপাদনের গুণগত মান বাড়ানো এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর জন্য তিনি গতানুগতিক বিশৃঙ্খল অবৈজ্ঞানিক নীতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, রীতিনীতি, ও কার্যপ্রকৃতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।উদ্দীপকে একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে যিনি কিনা হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হলেও খারাপ দৃষ্টিশক্তির কারণে সেখানে তার লেখাপড়া চালানো সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে তিনি ১৮৭৮ সালে একটি স্টিল কোম্পানিতে মেকানিক হিসেবে কাজে যোগদান করেন এবং ১৮৯০ সাল পর্যন্ত কাজ করেন।দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সমস্যা চিহ্নিত করেন এবং এসব সমস্যা সমাধানে গবেষণাকার্য পরিচালনা করেন।ঐ বিশেষ শাখায় বিশেষ অবদানের জন্য তাকে শাখাটির জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।এই বিশেষ শাখাটি হলো বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা এবং বৈজ্ঞানিক ব্যস্থাপনায় বিশেষ অবদানের জন্য ফ্রেডরিক উইন্সলো টেলরকে বৈজ্ঞানিক ব্যস্থাপনার জনক বলা হয়।উদ্দীপকের আলোচনা গুলো ফ্রেডরিক উইন্সলো টেলরের সাথে পুরোপুরিভাবে সম্পর্কিত।তাই বলা যায় যে,উদ্দীপকে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক বিখ্যাত ব্যবস্থাপনাবিদ ফ্রেডরিক উইন্সলো টেলরের কথা বলা হয়েছে।