HSC Management 2nd Paper MCQ ও বোর্ড প্রশ্ন

Management 2nd Paper বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, MCQ ও CQ অনুশীলন করো। অধ্যায় বেছে প্রশ্ন দেখো অথবা নিচের সাম্প্রতিক প্রশ্ন থেকে শুরু করো।

৩,৪৩২

মোট প্রশ্ন

0

অধ্যায়

commerce

গ্রুপ

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গ্যাসকো একটি বিদেশি গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানি। কোম্পানিতে মি. জিয়াং ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের বোঝা যেমন কষ্টকর তেমনি দ্রুততার সাথে তার নির্দেশ পালন করাও দুরূহ হয়ে উঠেছে। এতে করে প্রতিষ্ঠানটিতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

Dinajpur · 2017

কার্যবিভাজন কেন প্রয়োজন?

উত্তর

প্রতিষ্ঠানের কাজকে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে প্রত্যেক কর্মীর দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সুস্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট করে দেয়াকে কার্যবিভাজন বলে। এরূপ বিভাজনের ফলে প্রত্যেক বিভাগ, উপবিভাগ এবং সেই সাথে এতে নিয়োজিত জনশক্তি ও তাদের কাজকে সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়। তাছাড়া একই ধরনের কাজ করায় প্রতিটি বিভাগে কর্মরত কর্মীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এতে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতাও বাড়ে।
মি. জিয়াং যোগাযোগের কোন নীতিটি উপেক্ষা করেছেন? বর্ণনা করো।

উত্তর

মি. জিয়াং যোগাযোগের ভাষাগত নীতিটি উপেক্ষা করেছেন। সুষ্ঠু যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সঠিকভাবে ভাষা ব্যবহার না করতে পারলে যোগাযোগ কর্মীদের বোধগম্য হয় না এবং এর উদ্দেশ্যই ব্যাহত হতে পারে। উদ্দীপকে গ্যাসকো একটি বিদেশি গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানি। উক্ত কোম্পানিতে মি. জিয়াং ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের এ ভাষা বোঝা বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এতে বোঝা যায় গ্যাসকো কোম্পানিতে মি. জিয়াং যোগাযোগের ভাষাগত নীতিটি উপেক্ষা করেছেন।
গ্যাসকো কোম্পানির বিশৃঙ্খলা দূর করতে তোমার পরামর্শ প্রদান করো

উত্তর

গ্যাসকো কোম্পানির বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা দূর করা উচিত। ভাষার ভিন্নতা মানব সমাজে একটা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। একেক স্থানের ভাষা ভিন্ন অর্থ বহন করতে পারে। ভাষার এ ভিন্নতা থেকে যোগাযোগে যে বাধার সৃষ্টি হয়, তাকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করা হয়। উদ্দীপকে মি. জিয়াং গ্যাসকো কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নির্দেশ দানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের তার ভাষা বুঝতে কষ্ট হয় এবং যেকোনো নির্দেশ দ্রুত পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। যোগাযোগের অন্যতম প্রধান বাহন হলো ভাষা। কার্যকর যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে গিয়ে অনেক সময় ভাষাগত ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে সমস্যা দেখা দেয়। উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানটিতেও তা-ই হয়েছে। মি. জিয়াং-এর দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা কর্মীরা বোঝে না। ফলে তারা দ্রুততার সাথে কাজও করতে পারে না। এতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তাই আমি মনে করি মি. জিয়ং যদি সহজ সরল ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে, তাহলে কর্মীদের তা বুঝতে কষ্ট হবে না। এবং তারা খুব স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করবে। সুতরাং, এ ভাষাগত প্রতিবন্ধতা দূর করা খুব জরুরি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গ্যাসকো একটি বিদেশি গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানি। কোম্পানিতে মি. জিয়াং ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের বোঝা যেমন কষ্টকর তেমনি দ্রুততার সাথে তার নির্দেশ পালন করাও দুরূহ হয়ে উঠেছে। এতে করে প্রতিষ্ঠানটিতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

Dinajpur · 2017

কার্যবিভাজন কেন প্রয়োজন?

উত্তর

প্রতিষ্ঠানের কাজকে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে প্রত্যেক কর্মীর দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সুস্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট করে দেয়াকে কার্যবিভাজন বলে। এরূপ বিভাজনের ফলে প্রত্যেক বিভাগ, উপবিভাগ এবং সেই সাথে এতে নিয়োজিত জনশক্তি ও তাদের কাজকে সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়। তাছাড়া একই ধরনের কাজ করায় প্রতিটি বিভাগে কর্মরত কর্মীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এতে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতাও বাড়ে।
মি. জিয়াং যোগাযোগের কোন নীতিটি উপেক্ষা করেছেন? বর্ণনা করো।

উত্তর

মি. জিয়াং যোগাযোগের ভাষাগত নীতিটি উপেক্ষা করেছেন। সুষ্ঠু যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সঠিকভাবে ভাষা ব্যবহার না করতে পারলে যোগাযোগ কর্মীদের বোধগম্য হয় না এবং এর উদ্দেশ্যই ব্যাহত হতে পারে। উদ্দীপকে গ্যাসকো একটি বিদেশি গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানি। উক্ত কোম্পানিতে মি. জিয়াং ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের এ ভাষা বোঝা বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এতে বোঝা যায় গ্যাসকো কোম্পানিতে মি. জিয়াং যোগাযোগের ভাষাগত নীতিটি উপেক্ষা করেছেন।
গ্যাসকো কোম্পানির বিশৃঙ্খলা দূর করতে তোমার পরামর্শ প্রদান করো

উত্তর

গ্যাসকো কোম্পানির বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা দূর করা উচিত। ভাষার ভিন্নতা মানব সমাজে একটা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। একেক স্থানের ভাষা ভিন্ন অর্থ বহন করতে পারে। ভাষার এ ভিন্নতা থেকে যোগাযোগে যে বাধার সৃষ্টি হয়, তাকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করা হয়। উদ্দীপকে মি. জিয়াং গ্যাসকো কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নির্দেশ দানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের তার ভাষা বুঝতে কষ্ট হয় এবং যেকোনো নির্দেশ দ্রুত পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। যোগাযোগের অন্যতম প্রধান বাহন হলো ভাষা। কার্যকর যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে গিয়ে অনেক সময় ভাষাগত ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে সমস্যা দেখা দেয়। উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানটিতেও তা-ই হয়েছে। মি. জিয়াং-এর দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা কর্মীরা বোঝে না। ফলে তারা দ্রুততার সাথে কাজও করতে পারে না। এতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তাই আমি মনে করি মি. জিয়ং যদি সহজ সরল ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে, তাহলে কর্মীদের তা বুঝতে কষ্ট হবে না। এবং তারা খুব স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করবে। সুতরাং, এ ভাষাগত প্রতিবন্ধতা দূর করা খুব জরুরি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গ্যাসকো একটি বিদেশি গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানি। কোম্পানিতে মি. জিয়াং ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের বোঝা যেমন কষ্টকর তেমনি দ্রুততার সাথে তার নির্দেশ পালন করাও দুরূহ হয়ে উঠেছে। এতে করে প্রতিষ্ঠানটিতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

Dinajpur · 2017

কার্যবিভাজন কেন প্রয়োজন?

উত্তর

প্রতিষ্ঠানের কাজকে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে প্রত্যেক কর্মীর দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সুস্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট করে দেয়াকে কার্যবিভাজন বলে। এরূপ বিভাজনের ফলে প্রত্যেক বিভাগ, উপবিভাগ এবং সেই সাথে এতে নিয়োজিত জনশক্তি ও তাদের কাজকে সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়। তাছাড়া একই ধরনের কাজ করায় প্রতিটি বিভাগে কর্মরত কর্মীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এতে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতাও বাড়ে।
মি. জিয়াং যোগাযোগের কোন নীতিটি উপেক্ষা করেছেন? বর্ণনা করো।

উত্তর

মি. জিয়াং যোগাযোগের ভাষাগত নীতিটি উপেক্ষা করেছেন। সুষ্ঠু যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সঠিকভাবে ভাষা ব্যবহার না করতে পারলে যোগাযোগ কর্মীদের বোধগম্য হয় না এবং এর উদ্দেশ্যই ব্যাহত হতে পারে। উদ্দীপকে গ্যাসকো একটি বিদেশি গ্যাস উত্তোলনকারী কোম্পানি। উক্ত কোম্পানিতে মি. জিয়াং ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের এ ভাষা বোঝা বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এতে বোঝা যায় গ্যাসকো কোম্পানিতে মি. জিয়াং যোগাযোগের ভাষাগত নীতিটি উপেক্ষা করেছেন।
গ্যাসকো কোম্পানির বিশৃঙ্খলা দূর করতে তোমার পরামর্শ প্রদান করো

উত্তর

গ্যাসকো কোম্পানির বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা দূর করা উচিত। ভাষার ভিন্নতা মানব সমাজে একটা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। একেক স্থানের ভাষা ভিন্ন অর্থ বহন করতে পারে। ভাষার এ ভিন্নতা থেকে যোগাযোগে যে বাধার সৃষ্টি হয়, তাকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করা হয়। উদ্দীপকে মি. জিয়াং গ্যাসকো কোম্পানিতে ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নির্দেশ দানের ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন। ফলে কর্মীদের তার ভাষা বুঝতে কষ্ট হয় এবং যেকোনো নির্দেশ দ্রুত পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। যোগাযোগের অন্যতম প্রধান বাহন হলো ভাষা। কার্যকর যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভাষার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে গিয়ে অনেক সময় ভাষাগত ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে সমস্যা দেখা দেয়। উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানটিতেও তা-ই হয়েছে। মি. জিয়াং-এর দুর্বোধ্য ইংরেজি ভাষা কর্মীরা বোঝে না। ফলে তারা দ্রুততার সাথে কাজও করতে পারে না। এতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তাই আমি মনে করি মি. জিয়ং যদি সহজ সরল ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে, তাহলে কর্মীদের তা বুঝতে কষ্ট হবে না। এবং তারা খুব স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করবে। সুতরাং, এ ভাষাগত প্রতিবন্ধতা দূর করা খুব জরুরি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভাগ অনুযায়ী ভাগ করেছেন। তবে বিভাগের যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা তার হাতে রেখে দিয়েছেন। এতে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকরা কোনো সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারেন না। এদিকে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে তার প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় কমে যাওয়ায় তিনি নতুন করে পরিকল্পনা করার চিন্তা করছেন।

Dinajpur · 2017

ব্যবস্থাপনার উচ্চ স্তরটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ব্যবস্থাপনার যে স্তরে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ করা হয় তাকে উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপনা বলে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ, কোম্পানির সচিব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপকের মধ্যে পড়েন। এক্ষেত্রে নির্বাহীগণ প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও নীতি নির্ধারণ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কৌশল গ্রহণ করেন। এসব কাজে অধিক মাত্রায় চিন্তা-চেতনার প্রয়োজন হয়। তাই বলা হয়, উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপকগণ চিন্তাশীল কাজের সাথে জড়িত থাকেন।
সমন্বয়ের কোন নীতির ব্যত্যয় ঘটায় মি. রাতুলের প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সমন্বয়ের দলীয় সমঝোতার নীতির ব্যত্যয় ঘটায় মি. রাতুলের প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে। দলীয় সমঝোতার নীতি অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তি, দল ও উপদল বিভাগ ও উপ-বিভাগ যার যার মতো না চলে দলীয় সমঝোতা অনুযায়ী বা মিলে- মিশে চলেন। দলীয় প্রচেষ্টাকে সমন্বিত করা গেলে যেকোনো জটিল কাজ সহজেই সম্পাদন করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায় মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভাগ অনুযায়ী (যেমন: ক্রয় বিভাগ, বিক্রয় বিভাগ, অর্থ বিভাগ, উৎপাদন বিভাগ) ভাগ করেছেন। কিন্তু প্রতিটি বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা তিনি তার হাতে রেখে দিয়েছেন। ফলে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় যার যেমন খুশি কাজ করছেন। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ের দলীয় সমঝোতার নীতির ব্যত্যয় ঘটেছে এবং এতে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে।
মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের কোন পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভাগ ও উপ-বিভাগের কাজে স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে একের সাথে অন্যের সমন্বয়সাধনের রীতি গড়ে ওঠাই হলো স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয়। বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগের মধ্যে এরূপ সমন্বয়ের প্রবণতা থাকাও উত্তম সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের প্রধান মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভিন্নভাবে ভাগ করেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের কাজে রেখে দেওয়ায় বিভাগীয় প্রধানগণ কোনো সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারছেন না। ফলে প্রতিটি বিভাগ যার যার মতো করে কাজ করছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয় প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কমে যায়। যার ফলশ্রুতিতে মি. রাতুল প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের চিন্তা করছেন। মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক। কেননা স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় একটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে কর্মীরা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে কার্য সম্পাদন করবে। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতেও যেহেতু স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয়ের অভাবের কারণে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান থেকে বিক্রয় কমে যাচ্ছে। তাই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মি. রাতুলের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভাগ অনুযায়ী ভাগ করেছেন। তবে বিভাগের যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা তার হাতে রেখে দিয়েছেন। এতে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকরা কোনো সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারেন না। এদিকে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে তার প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় কমে যাওয়ায় তিনি নতুন করে পরিকল্পনা করার চিন্তা করছেন।

Dinajpur · 2017

ব্যবস্থাপনার উচ্চ স্তরটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ব্যবস্থাপনার যে স্তরে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ করা হয় তাকে উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপনা বলে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ, কোম্পানির সচিব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপকের মধ্যে পড়েন। এক্ষেত্রে নির্বাহীগণ প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও নীতি নির্ধারণ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কৌশল গ্রহণ করেন। এসব কাজে অধিক মাত্রায় চিন্তা-চেতনার প্রয়োজন হয়। তাই বলা হয়, উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপকগণ চিন্তাশীল কাজের সাথে জড়িত থাকেন।
সমন্বয়ের কোন নীতির ব্যত্যয় ঘটায় মি. রাতুলের প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সমন্বয়ের দলীয় সমঝোতার নীতির ব্যত্যয় ঘটায় মি. রাতুলের প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে। দলীয় সমঝোতার নীতি অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তি, দল ও উপদল বিভাগ ও উপ-বিভাগ যার যার মতো না চলে দলীয় সমঝোতা অনুযায়ী বা মিলে- মিশে চলেন। দলীয় প্রচেষ্টাকে সমন্বিত করা গেলে যেকোনো জটিল কাজ সহজেই সম্পাদন করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায় মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভাগ অনুযায়ী (যেমন: ক্রয় বিভাগ, বিক্রয় বিভাগ, অর্থ বিভাগ, উৎপাদন বিভাগ) ভাগ করেছেন। কিন্তু প্রতিটি বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা তিনি তার হাতে রেখে দিয়েছেন। ফলে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় যার যেমন খুশি কাজ করছেন। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ের দলীয় সমঝোতার নীতির ব্যত্যয় ঘটেছে এবং এতে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে।
মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের কোন পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভাগ ও উপ-বিভাগের কাজে স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে একের সাথে অন্যের সমন্বয়সাধনের রীতি গড়ে ওঠাই হলো স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয়। বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগের মধ্যে এরূপ সমন্বয়ের প্রবণতা থাকাও উত্তম সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের প্রধান মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভিন্নভাবে ভাগ করেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের কাজে রেখে দেওয়ায় বিভাগীয় প্রধানগণ কোনো সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারছেন না। ফলে প্রতিটি বিভাগ যার যার মতো করে কাজ করছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয় প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কমে যায়। যার ফলশ্রুতিতে মি. রাতুল প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের চিন্তা করছেন। মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক। কেননা স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় একটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে কর্মীরা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে কার্য সম্পাদন করবে। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতেও যেহেতু স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয়ের অভাবের কারণে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান থেকে বিক্রয় কমে যাচ্ছে। তাই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মি. রাতুলের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভাগ অনুযায়ী ভাগ করেছেন। তবে বিভাগের যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা তার হাতে রেখে দিয়েছেন। এতে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকরা কোনো সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারেন না। এদিকে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে তার প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় কমে যাওয়ায় তিনি নতুন করে পরিকল্পনা করার চিন্তা করছেন।

Dinajpur · 2017

ব্যবস্থাপনার উচ্চ স্তরটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ব্যবস্থাপনার যে স্তরে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ করা হয় তাকে উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপনা বলে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ, কোম্পানির সচিব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপকের মধ্যে পড়েন। এক্ষেত্রে নির্বাহীগণ প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও নীতি নির্ধারণ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কৌশল গ্রহণ করেন। এসব কাজে অধিক মাত্রায় চিন্তা-চেতনার প্রয়োজন হয়। তাই বলা হয়, উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপকগণ চিন্তাশীল কাজের সাথে জড়িত থাকেন।
সমন্বয়ের কোন নীতির ব্যত্যয় ঘটায় মি. রাতুলের প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সমন্বয়ের দলীয় সমঝোতার নীতির ব্যত্যয় ঘটায় মি. রাতুলের প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে। দলীয় সমঝোতার নীতি অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তি, দল ও উপদল বিভাগ ও উপ-বিভাগ যার যার মতো না চলে দলীয় সমঝোতা অনুযায়ী বা মিলে- মিশে চলেন। দলীয় প্রচেষ্টাকে সমন্বিত করা গেলে যেকোনো জটিল কাজ সহজেই সম্পাদন করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায় মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভাগ অনুযায়ী (যেমন: ক্রয় বিভাগ, বিক্রয় বিভাগ, অর্থ বিভাগ, উৎপাদন বিভাগ) ভাগ করেছেন। কিন্তু প্রতিটি বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা তিনি তার হাতে রেখে দিয়েছেন। ফলে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় যার যেমন খুশি কাজ করছেন। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ের দলীয় সমঝোতার নীতির ব্যত্যয় ঘটেছে এবং এতে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হ্রাস পেয়েছে।
মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের কোন পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভাগ ও উপ-বিভাগের কাজে স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে একের সাথে অন্যের সমন্বয়সাধনের রীতি গড়ে ওঠাই হলো স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয়। বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগের মধ্যে এরূপ সমন্বয়ের প্রবণতা থাকাও উত্তম সমন্বয়ের জন্য অপরিহার্য। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের প্রধান মি. রাতুল তার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে বিভিন্নভাবে ভাগ করেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের কাজে রেখে দেওয়ায় বিভাগীয় প্রধানগণ কোনো সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারছেন না। ফলে প্রতিটি বিভাগ যার যার মতো করে কাজ করছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয় প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কমে যায়। যার ফলশ্রুতিতে মি. রাতুল প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের চিন্তা করছেন। মি. রাতুলের নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যকর সমন্বয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় পূর্বশর্তটি থাকা আবশ্যক। কেননা স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় একটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে কর্মীরা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে কার্য সম্পাদন করবে। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতেও যেহেতু স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয়ের অভাবের কারণে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান থেকে বিক্রয় কমে যাচ্ছে। তাই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মি. রাতুলের স্বতঃস্ফূর্ত সমন্বয় বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। এতে আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়ে থাকে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়।

Dinajpur · 2017

সংগঠিতকরণ কী?

উত্তর

বিভিন্ন বিভাগ-উপবিভাগ ও কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণকে সংগঠিতকরণ বলে।
কার্যভিত্তিক সংগঠন কখন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর

একটি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকৃতির (উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয়) কাজ চালু থাকলে, তখন কার্যভিত্তিক সংগঠন ব্যবহার করা হয়। শিল্প প্রতিষ্ঠান কিংবা বৃহদাকার উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের কাজ সাধারণত প্রক্রিয়াভিত্তিক হয়ে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও বিশেষজ্ঞ কর্মীর প্রয়োজন হয়। এজন্য কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগ তৈরি করে বিশেষজ্ঞ কর্মী নিয়োগ করা হয়। এতে বিশেষায়নের অধিক সুবিধা অর্জিত হয়। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠান তথা যেখানে কাজের ব্যাপকতা বেশি, সেখানে কার্যভিত্তিক সংগঠন বেশি কার্যকর।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের সভার ব্যবস্থাকে কী বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ভিডিও কনফারেন্সিং সভার আয়োজন করেছে। ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন স্থানে বিস্তৃত বিভিন্ন ব্যক্তি বা দলের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের একটি আধুনিক পদ্ধতি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বা মুঠোফোনে গ্রাহক ও প্রেরক পরস্পরকে দেখতে এবং কথা বলতে পারেন। উদ্দীপকে, উল্লিখিত মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। সুতরাং, প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত সভাটি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং।
প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের কোন গুণাবলি অধিকতর ভূমিকা পালন করে? মতামত দাও।

উত্তর

প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করে। তথ্য বা সংবাদ প্রেরণের পর প্রাপকের নিকট হতে প্রেরকের নিকট প্রত্যুত্তর আসাই হলো ফলাবর্তন। ফলাবর্তনের মাধ্যমে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং পরিপূর্ণতা লাভ করে। উদ্দীপকে মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক প্রধানগণ প্রতিমাসে স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসে ভিডিও কনফারেন্স সভার আয়োজন করে। এতে করে প্রত্যেকে প্রতিটি শাখার খবরাখবর সহজে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে পেয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ ফলাবর্তন খুব দ্রুত হচ্ছে। যোগাযোগ প্রক্রিয়া শুরু হয় প্রেরকের মাধ্যমে। আর সম্পন্ন হয় প্রাপকের প্রদত্ত প্রত্যুত্তর অর্থাৎ ফলাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যুত্তর পেতে দীর্ঘসময় লাগলে সময় ও খরচ উভয় বেশি হয়। কিন্তু যদি ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সভা করা হয়, তাতে তাৎক্ষণিক প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা করায় আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়েছে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং সভা আহবান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। এতে আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়ে থাকে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়।

Dinajpur · 2017

সংগঠিতকরণ কী?

উত্তর

বিভিন্ন বিভাগ-উপবিভাগ ও কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণকে সংগঠিতকরণ বলে।
কার্যভিত্তিক সংগঠন কখন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর

একটি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকৃতির (উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয়) কাজ চালু থাকলে, তখন কার্যভিত্তিক সংগঠন ব্যবহার করা হয়। শিল্প প্রতিষ্ঠান কিংবা বৃহদাকার উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের কাজ সাধারণত প্রক্রিয়াভিত্তিক হয়ে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও বিশেষজ্ঞ কর্মীর প্রয়োজন হয়। এজন্য কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগ তৈরি করে বিশেষজ্ঞ কর্মী নিয়োগ করা হয়। এতে বিশেষায়নের অধিক সুবিধা অর্জিত হয়। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠান তথা যেখানে কাজের ব্যাপকতা বেশি, সেখানে কার্যভিত্তিক সংগঠন বেশি কার্যকর।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের সভার ব্যবস্থাকে কী বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ভিডিও কনফারেন্সিং সভার আয়োজন করেছে। ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন স্থানে বিস্তৃত বিভিন্ন ব্যক্তি বা দলের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের একটি আধুনিক পদ্ধতি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বা মুঠোফোনে গ্রাহক ও প্রেরক পরস্পরকে দেখতে এবং কথা বলতে পারেন। উদ্দীপকে, উল্লিখিত মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। সুতরাং, প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত সভাটি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং।
প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের কোন গুণাবলি অধিকতর ভূমিকা পালন করে? মতামত দাও।

উত্তর

প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করে। তথ্য বা সংবাদ প্রেরণের পর প্রাপকের নিকট হতে প্রেরকের নিকট প্রত্যুত্তর আসাই হলো ফলাবর্তন। ফলাবর্তনের মাধ্যমে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং পরিপূর্ণতা লাভ করে। উদ্দীপকে মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক প্রধানগণ প্রতিমাসে স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসে ভিডিও কনফারেন্স সভার আয়োজন করে। এতে করে প্রত্যেকে প্রতিটি শাখার খবরাখবর সহজে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে পেয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ ফলাবর্তন খুব দ্রুত হচ্ছে। যোগাযোগ প্রক্রিয়া শুরু হয় প্রেরকের মাধ্যমে। আর সম্পন্ন হয় প্রাপকের প্রদত্ত প্রত্যুত্তর অর্থাৎ ফলাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যুত্তর পেতে দীর্ঘসময় লাগলে সময় ও খরচ উভয় বেশি হয়। কিন্তু যদি ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সভা করা হয়, তাতে তাৎক্ষণিক প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা করায় আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়েছে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং সভা আহবান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। এতে আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়ে থাকে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়।

Dinajpur · 2017

সংগঠিতকরণ কী?

উত্তর

বিভিন্ন বিভাগ-উপবিভাগ ও কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণকে সংগঠিতকরণ বলে।
কার্যভিত্তিক সংগঠন কখন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর

একটি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকৃতির (উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয়) কাজ চালু থাকলে, তখন কার্যভিত্তিক সংগঠন ব্যবহার করা হয়। শিল্প প্রতিষ্ঠান কিংবা বৃহদাকার উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের কাজ সাধারণত প্রক্রিয়াভিত্তিক হয়ে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও বিশেষজ্ঞ কর্মীর প্রয়োজন হয়। এজন্য কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগ তৈরি করে বিশেষজ্ঞ কর্মী নিয়োগ করা হয়। এতে বিশেষায়নের অধিক সুবিধা অর্জিত হয়। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠান তথা যেখানে কাজের ব্যাপকতা বেশি, সেখানে কার্যভিত্তিক সংগঠন বেশি কার্যকর।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের সভার ব্যবস্থাকে কী বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ভিডিও কনফারেন্সিং সভার আয়োজন করেছে। ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন স্থানে বিস্তৃত বিভিন্ন ব্যক্তি বা দলের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের একটি আধুনিক পদ্ধতি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বা মুঠোফোনে গ্রাহক ও প্রেরক পরস্পরকে দেখতে এবং কথা বলতে পারেন। উদ্দীপকে, উল্লিখিত মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। সুতরাং, প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত সভাটি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং।
প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের কোন গুণাবলি অধিকতর ভূমিকা পালন করে? মতামত দাও।

উত্তর

প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করে। তথ্য বা সংবাদ প্রেরণের পর প্রাপকের নিকট হতে প্রেরকের নিকট প্রত্যুত্তর আসাই হলো ফলাবর্তন। ফলাবর্তনের মাধ্যমে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং পরিপূর্ণতা লাভ করে। উদ্দীপকে মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক প্রধানগণ প্রতিমাসে স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসে ভিডিও কনফারেন্স সভার আয়োজন করে। এতে করে প্রত্যেকে প্রতিটি শাখার খবরাখবর সহজে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে পেয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ ফলাবর্তন খুব দ্রুত হচ্ছে। যোগাযোগ প্রক্রিয়া শুরু হয় প্রেরকের মাধ্যমে। আর সম্পন্ন হয় প্রাপকের প্রদত্ত প্রত্যুত্তর অর্থাৎ ফলাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যুত্তর পেতে দীর্ঘসময় লাগলে সময় ও খরচ উভয় বেশি হয়। কিন্তু যদি ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সভা করা হয়, তাতে তাৎক্ষণিক প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা করায় আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়েছে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং সভা আহবান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। এতে আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়ে থাকে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়।

Dinajpur · 2017

সংগঠিতকরণ কী?

উত্তর

বিভিন্ন বিভাগ-উপবিভাগ ও কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণকে সংগঠিতকরণ বলে।
কার্যভিত্তিক সংগঠন কখন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর

একটি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকৃতির (উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয়) কাজ চালু থাকলে, তখন কার্যভিত্তিক সংগঠন ব্যবহার করা হয়। শিল্প প্রতিষ্ঠান কিংবা বৃহদাকার উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের কাজ সাধারণত প্রক্রিয়াভিত্তিক হয়ে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও বিশেষজ্ঞ কর্মীর প্রয়োজন হয়। এজন্য কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগ তৈরি করে বিশেষজ্ঞ কর্মী নিয়োগ করা হয়। এতে বিশেষায়নের অধিক সুবিধা অর্জিত হয়। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠান তথা যেখানে কাজের ব্যাপকতা বেশি, সেখানে কার্যভিত্তিক সংগঠন বেশি কার্যকর।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের সভার ব্যবস্থাকে কী বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ভিডিও কনফারেন্সিং সভার আয়োজন করেছে। ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন স্থানে বিস্তৃত বিভিন্ন ব্যক্তি বা দলের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের একটি আধুনিক পদ্ধতি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বা মুঠোফোনে গ্রাহক ও প্রেরক পরস্পরকে দেখতে এবং কথা বলতে পারেন। উদ্দীপকে, উল্লিখিত মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে আঞ্চলিক প্রধানদের নিয়ে সভার আয়োজন করে। আঞ্চলিক প্রধানগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসেই এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি এ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তারা নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। সুতরাং, প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত সভাটি হলো ভিডিও কনফারেন্সিং।
প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের কোন গুণাবলি অধিকতর ভূমিকা পালন করে? মতামত দাও।

উত্তর

প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা আহ্বান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করে। তথ্য বা সংবাদ প্রেরণের পর প্রাপকের নিকট হতে প্রেরকের নিকট প্রত্যুত্তর আসাই হলো ফলাবর্তন। ফলাবর্তনের মাধ্যমে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং পরিপূর্ণতা লাভ করে। উদ্দীপকে মাইক্রোসফট একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক প্রধানগণ প্রতিমাসে স্ব-স্ব কর্মস্থলে বসে ভিডিও কনফারেন্স সভার আয়োজন করে। এতে করে প্রত্যেকে প্রতিটি শাখার খবরাখবর সহজে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে পেয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ ফলাবর্তন খুব দ্রুত হচ্ছে। যোগাযোগ প্রক্রিয়া শুরু হয় প্রেরকের মাধ্যমে। আর সম্পন্ন হয় প্রাপকের প্রদত্ত প্রত্যুত্তর অর্থাৎ ফলাবর্তনের মাধ্যমে। এই প্রত্যুত্তর পেতে দীর্ঘসময় লাগলে সময় ও খরচ উভয় বেশি হয়। কিন্তু যদি ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সভা করা হয়, তাতে তাৎক্ষণিক প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সভা করায় আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়েছে। ব্যয় হ্রাসের কারণে পণ্যের দামও তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ভিডিও কনফারেন্সিং সভা আহবান করার পেছনে যোগাযোগের ফলাবর্তন বিষয়টি অধিকতর ভূমিকা পালন করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব খালিদ হাসান নর্থ-সাউথ মোটরস লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন। তার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখায় কর্মীর শূন্য পদ পূরণের জন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মী নির্বাচনের জন্য তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। নির্বাচিত কর্মীদেরকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তিনি স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেন। এতে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠান সফলতার মুখ দেখতে পায়।

Dinajpur · 2017

কর্মী নিয়োগের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

নিয়োগ সংক্রান্ত শর্তাবলি উল্লেখ করে নির্বাচিত প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজে যোগদান করানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়াকে কর্মী নিয়োগ বলে। কর্মীকে যথাস্থানে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে কর্মী নিয়োগ করা হয়। নিয়োগ সংক্রান্ত শর্তাবলি মেনে কর্মী কাজে যোগদান করেন। এতে প্রতিষ্ঠান যেমন তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে, তেমনি কর্মীও তার দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পান। তাই নিয়োগকর্তা ও চাকরিপ্রার্থী উভয়ের জন্যই কর্মী নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে স্থায়ী নিয়োগ প্রত্যাশী নতুন কর্মীকে কারও অধীনে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজের সাথে সম্পৃক্ত রেখে হাতে- কলমে কাজ শেখানো ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়াস চালানো হয়। এ পদ্ধতি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি স্বল্পমেয়াদে একটা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবিশ কর্মী হিসেবে প্রশিক্ষণ লাভ করেন। উদ্দীপকে খালিদ হাসান নর্থ-সাউথ মটরস লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখায় কর্মীর শূন্য পদ পূরণের জন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মী নির্বাচনের জন্য তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। তবে নির্বাচিত কর্মীদেরকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তিনি স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেন। তাই বলা যায়, তিনি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
"প্রশিক্ষণই উক্ত প্রতিষ্ঠানের উন্নতির মূল কারণ"- এ উক্তির সাথে তুমি কি একমত? যুক্তি দেখাও।

উত্তর

'প্রশিক্ষণই উক্ত প্রতিষ্ঠানের উন্নতির মূল কারণ'- এ উক্তির সাথে আমি একমত। প্রশিক্ষণ কর্মীর কার্যদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষাদানের আনুষ্ঠানিক প্রয়াস। এর মাধ্যমে কর্মীর যোগ্যতা ও দক্ষতার উন্নয়ন ঘটে। কর্মীর মেধা বিকাশে বা বর্তমান কাজে অধিকতর দক্ষতা অর্জনের উপায় হিসেবে প্রশিক্ষণ অন্যতম। এটি কর্মীকে হাতে-কলমে বা বিভিন্ন বিষয়ে বাস্তবসম্মত জ্ঞান দান করে। উদ্দীপকে নর্থ-সাউথ মটরস লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব খালিদ হাসান। তিনি প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদ পূরণের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। তবে নিয়োগদানের পূর্বে কর্মীদেরকে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। কর্মীদের কার্যক্ষেত্রে অধিক দক্ষতা বা ফলপ্রসূতা অর্জনের জন্য নতুন নিয়োগকৃত কর্মীদের তত্ত্বগত জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান করা হয়। এতে কর্মীর মনোবল উন্নত হয় ও কর্মী তার কাজে মনোনিবেশ করতে পারেন। এতে কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠান সফলতার মুখ দেখে। তাই বলা যায়, প্রশিক্ষণই নর্থ-সাউথ মটরস লি.-এর উন্নতির মূল কারণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCManagement 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব খালিদ হাসান নর্থ-সাউথ মোটরস লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন। তার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখায় কর্মীর শূন্য পদ পূরণের জন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মী নির্বাচনের জন্য তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। নির্বাচিত কর্মীদেরকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তিনি স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেন। এতে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠান সফলতার মুখ দেখতে পায়।

Dinajpur · 2017

কর্মী নিয়োগের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

নিয়োগ সংক্রান্ত শর্তাবলি উল্লেখ করে নির্বাচিত প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজে যোগদান করানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়াকে কর্মী নিয়োগ বলে। কর্মীকে যথাস্থানে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে কর্মী নিয়োগ করা হয়। নিয়োগ সংক্রান্ত শর্তাবলি মেনে কর্মী কাজে যোগদান করেন। এতে প্রতিষ্ঠান যেমন তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে, তেমনি কর্মীও তার দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পান। তাই নিয়োগকর্তা ও চাকরিপ্রার্থী উভয়ের জন্যই কর্মী নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে স্থায়ী নিয়োগ প্রত্যাশী নতুন কর্মীকে কারও অধীনে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজের সাথে সম্পৃক্ত রেখে হাতে- কলমে কাজ শেখানো ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়াস চালানো হয়। এ পদ্ধতি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি স্বল্পমেয়াদে একটা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবিশ কর্মী হিসেবে প্রশিক্ষণ লাভ করেন। উদ্দীপকে খালিদ হাসান নর্থ-সাউথ মটরস লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখায় কর্মীর শূন্য পদ পূরণের জন্য দক্ষ ও যোগ্য কর্মী নির্বাচনের জন্য তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। তবে নির্বাচিত কর্মীদেরকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তিনি স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেন। তাই বলা যায়, তিনি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
"প্রশিক্ষণই উক্ত প্রতিষ্ঠানের উন্নতির মূল কারণ"- এ উক্তির সাথে তুমি কি একমত? যুক্তি দেখাও।

উত্তর

'প্রশিক্ষণই উক্ত প্রতিষ্ঠানের উন্নতির মূল কারণ'- এ উক্তির সাথে আমি একমত। প্রশিক্ষণ কর্মীর কার্যদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষাদানের আনুষ্ঠানিক প্রয়াস। এর মাধ্যমে কর্মীর যোগ্যতা ও দক্ষতার উন্নয়ন ঘটে। কর্মীর মেধা বিকাশে বা বর্তমান কাজে অধিকতর দক্ষতা অর্জনের উপায় হিসেবে প্রশিক্ষণ অন্যতম। এটি কর্মীকে হাতে-কলমে বা বিভিন্ন বিষয়ে বাস্তবসম্মত জ্ঞান দান করে। উদ্দীপকে নর্থ-সাউথ মটরস লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব খালিদ হাসান। তিনি প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদ পূরণের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। তবে নিয়োগদানের পূর্বে কর্মীদেরকে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। কর্মীদের কার্যক্ষেত্রে অধিক দক্ষতা বা ফলপ্রসূতা অর্জনের জন্য নতুন নিয়োগকৃত কর্মীদের তত্ত্বগত জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান করা হয়। এতে কর্মীর মনোবল উন্নত হয় ও কর্মী তার কাজে মনোনিবেশ করতে পারেন। এতে কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠান সফলতার মুখ দেখে। তাই বলা যায়, প্রশিক্ষণই নর্থ-সাউথ মটরস লি.-এর উন্নতির মূল কারণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

সাধারণ প্রশ্ন

Management 2nd Paper MCQ কোথায় পাবো?

এই পেজের অধ্যায় লিংক বা সাম্প্রতিক প্রশ্ন থেকে Management 2nd Paper MCQ সমাধানসহ দেখতে পারবে।