হ্যাঁ উত্তম পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্য অনুসারে নতুন একক গ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে যৌক্তিকতা নিচে প্রদর্শন করা হলোঃউত্তম পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্যগুলো হলোঃনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিরবচ্ছিন্নতা,ত্রুটিমুক্ততা,মিতব্যয়িতা,সহজবোধ্যতা, নমনীয়তা, ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনা,সৃজনশীলতা, বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার,বাস্তবমুখী, সমতা বিধান, গ্রহণযোগ্যতা,তথ্যনির্ভর,সমন্বয় সাধন,সামঞ্জস্যতা। উদ্দীপকের সেঞ্চুরি নিটিংওয়্যার দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সাথে পণ্য উৎপাদন করে আসছে।তারা বরবরই তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে এসেছে। বর্তমানে তাদের সাপ্তাহিক একহাজার একক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। কিন্তু গতমাসে কয়েকটি মেশিনে ত্রুটি দেখা দিলে সেগুলো পরিবর্তন করে নতুন মেশিন পুনঃস্থাপন করা হয়। সার্বিক দিক বিবেচনা করে সাপ্তাহিক এক হাজার এককের পরিবর্তে তা এক হাজার তিনশত এককে পুনঃনির্ধারণ করা হয়।এ থেকে বোঝা যায় যে, সেঞ্চুরি নিটিংওয়্যার প্রকৃতিগত দিক থেকে লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।যা একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। কারণ উত্তম পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্যতেই উল্লেখ আছে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে নিরবচ্ছিন্নতা,ত্রুটিমুক্ততা থাকতে হবে। আর উদ্দীপকের সেঞ্চুরি নিটিংয়্যার নমনীয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ ঘটিয়ে নতুন মেশিন পুনঃস্থাপন করছে এবং নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের প্রতি ধাবিত হয়েছে।যা একটি উত্তম পরিকল্পনার বাস্তবমুখী, গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করেছে।আর এসকল কাজের মাধ্যমে সর্বক্ষেত্রে সমন্বয়সাধন সম্ভব হয়েছে। তাই আমি মনে করি, উত্তম পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্য অনুসারে নতুন একক গ্রহণযোগ্য।