না, পরামর্শমূলক নির্দেশনা সকল প্রতিষ্ঠানে সুফল বয়ে নিয়ে আসেনা।এ বিষয়ে নিচে মতামত তুলে ধরা হলোঃ
একেক প্রতিষ্ঠান একেক রকমের কৌশল অবলম্বন করে থাকে।যেই প্রতিষ্ঠানের জন্য যে কৌশল কার্যকরী সেই কৌশল ব্যবহার করা উচিত। তবে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় পরামর্শমূলক নির্দেশনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু পরামর্শমূল নির্দেশনা সকল প্রতিষ্ঠানে সুফল নাও বয়ে আনতে পারে। কারণ পরামর্শমূলক নির্দেশনার কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।
ক)অবাধ্যতা সৃষ্টিঃকর্মীদের অবাধ্য আচরণ প্রদর্শনের আশঙ্কা পরামর্শমূলক নির্দেশনার প্রধান অসুবিধা।
খ)সময় অপচয়ঃ এটি একটি সময়সাপেক্ষ পদ্ধতি।
গ) সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতাঃ অনেক সময় অধীনস্থদের সাথে আলাপ -আলোচনার ক্ষেত্রে অনেক অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের অবতারণা হয়।এর ফলে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।
ঘ) বিরূপ ধারণাঃ পরামর্শমূলক সিদ্ধান্ত অবলম্বনের ফলে কর্মীরা অনেক সময় নির্বাহীকে অদক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে।
ঙ)অধীনস্থদের অযোগ্যতাঃঅধীনস্থদের অযোগ্যতা পরামর্শমূলক নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার ক্ষেত্রে একটি প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
চ)ব্যয়বহুলঃপরামর্শমূলক নির্দেশনা একটি ব্যয়বহুল পদ্ধতি।
ছ)তথ্য ফাঁসঃ পরামর্শমূলক নির্দেশনার প্রক্রিয়াগত সুযোগে প্রতিষ্ঠানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস হয়ে যেতে পারে।
উদ্দীপকে দেখা যায়,
বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে দেশে ফিরে জনাব জাহিদ AB গ্রপে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতামতকে গুরুত্ব প্রদান করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি মনেকরেন কর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দিলে তারা আরও আগ্রহী হয়ে কাজে অংশগ্রহণ করবে।এখানে দেখা যায় তিনি পরামর্শমূলক নির্দেশনা পদ্ধতি ব্যবহার করেন। এ ধরনের নির্দেশনা পদ্ধতিতে অধতনদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকে বিধায় অদর্শনরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে পারে এবং তারা তাদের মালিকের প্রতি সন্তুষ্ট থাকে। কিন্তু সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কার্যক্রম সঠিক নয়।
উপরিউক্ত কারণগুলোর জন্য পরামর্শমূলক নির্দেশনা সকল প্রতিষ্ঠানে সুফল বয়ে নিয়ে আসেনা।