মি শাওনের প্রতিষ্ঠানে আদর্শ সংগঠনের সহজবোধ্যতা বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। লক্ষ অর্জনে একাধিক ব্যক্তি কাঠামোগত ভাবে সঙ্ঘবদ্ধ হওয়া এবং পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করা প্রাতিষ্ঠানিক রূপকে সংগঠন বলে। একটা আদর্শ সংগঠনের মধ্যে বিভাগ উপবিভাগ, দায়-দায়িত্ব, জবাবদিহিতা, কর্তৃত্ব প্রবাহ, সুস্পষ্ট ও সহজবোধ্য হওয়া উচিত। এগুলো এমন হতে হবে যাতে যার কাজ সে সহজে বুঝতে পারে। আদর্শ সংগঠনের সব পর্যায়ের কর্মীর কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হয়।এতে প্রত্যেকেই তাদের ক্ষমতা ও করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে। এতে প্রতিষ্ঠানের সকল সম্পদ ও উপকরণে সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই মি শাওন প্রতিষ্ঠানের সংগঠনিক কাঠামো খুব সুন্দর ভাবে তৈরি করেন। এতে সকল কর্মী পদবিন্যাস ও পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে সহজে বুঝতে পারে। তাদের দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সম্পর্কে বুঝতে তাদের কোন সমস্যা হয় না। এই থেকে আমরা বুঝতে পারি যে মি. শাওন এর প্রতিষ্ঠান এ আদর্শ সংগঠনের সহজবোধ্যতা বৈশিষ্ট্যটি ফুটে উঠেছে।