মিসেস হেলালী স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করায় এটি অধীনস্থদের এক অংশের কাছে পছন্দনীয় নয় বলে আমি মনে করি এ নেতৃত্বে নেতা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ ক্ষমতা নিজের কাছে রাখেন। তার সিদ্ধান্ত জোরপূর্বক অধস্তনদের ওপর চাপিয়ে দেন। প্রয়োজনে তিনি শাস্তি দিয়ে কাজ করান। এ নেতৃত্ব কর্মীরা কখনোই প্রত্যাশা ও পছন্দ করে না ।
উদ্দীপকের মিসেস হেলালী একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। তিনি প্রতিষ্ঠানের সব ক্ষমতা নিজের কাছে কেন্দ্রীভূত করে রাখেন। এর সব সিদ্ধান্ত তিনি এককভাবে নেন। এক্ষেত্রে তিনি অধীনস্থদের মতামতের কোনো গুরুত্ব দেন না। তাদেরকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে কাজ আদায় করেন। এ ব্যবস্থা স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের সাথে সম্পর্কিত ।
মিসেস হেলালীর এ নেতৃত্ব অনুসরণের ফলে কর্মীরা তার প্রতি আস্থা ও শ্রদ্ধাবোধ হারায়। নিজেদের মতামতের কোনো গুরুত্ব না পাওয়ায় তাদের কাজের প্রতি আগ্রহ থাকে না। তাদেরকে ভয় ও চাপ দিয়ে কাজ করানোতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। এ কারণে এ নেতৃত্ব কর্মীদের কাছে অপছন্দনীয় হয়। এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদে এ নেতৃত্ব চালু থাকলে কর্মীদের প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ার আশংকা বাড়বে। এতে এ ধরনের নেতৃত্ব কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো ফল দিতে পারে না। সুতরাং, বাধ্যবাধকতার কারণে মিস হেলালীর স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অধীনস্থরা পছন্দ করে না ।