উদ্দীপকের মি. X ও মি. Y-এর আলোচনা সমান্তরাল যোগাযোগের অন্তর্গত।এ ধরনের যোগাযোগে একই স্তরের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের মধ্যে তথ্য বিনিময় করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক তৈরি হয়। ফলে এক বিভাগের ব্যবস্থাপক অন্য বিভাগের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে। আর প্রতিষ্ঠানের কাজে গতি আসে।
উদ্দীপকের RB লি.-এর ক্রয় ব্যবস্থাপক মি. X কাঁচামাল কেনার ক্ষেত্রে উৎপাদন ব্যবস্থাপক মি. Y এর সাথে আলাপ-আলোচনা করেন। এতে কী পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা হবে তার ওপর ভিত্তি করে কাঁচামাল কেনা যায়। ফলে কোনো কাঁচামাল অপচয় হওয়ার আশংকা থাকে না। এতে দুই বিভাগের সহযোগিতায় উৎপাদন কাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে করা যায়। কিন্তু, ক্রয় ও উৎপাদন ব্যবস্থাপকের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকলে প্রতিষ্ঠানের কাজ গতিশীল হতো না। কারণ, সরাসরি যোগাযোগের অভাবে কাঁচামাল ক্রয় ও উৎপাদন সংক্রান্ত কাজে সমস্যা তৈরি হতো। এক্ষেত্রে ক্রয় ও উৎপাদন ব্যবস্থাপকের মধ্যে যোগাযোগ থাকায় দ্রুত কাজ করা সম্ভব হয়। এ ধরনের যোগাযোগের সাথে সমান্তরাল যোগাযেগের মিল আছে। সুতরাং, সমমর্যাদার হওয়ায় মি. X -ও মি. Y এর মধ্যে সমান্তরাল যোগাযোগ হয়েছে।