'সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থা উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক' -উক্তিটির সাথে আমি একমত।সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের কাজে যোগসূত্র স্থাপিত হয়। এতে প্রত্যেকের কাজের মধ্যে ঐক্য ও ভারসাম্য তৈরি হয়। আর সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক কাজ সম্পাদন সহজ হয়। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলার পরিবেশ বজায় থাকে। ফলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়।উদ্দীপকের মি. হিয়াম একটি প্রতিষ্ঠানের জি.এম। তিনি বার্ষিক সভায় পরবর্তী বছরের প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে থাকেন। নির্ধারিত লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিটি বিভাগ পরিকল্পনা তৈরি করে কাজ শুরু করে। আবার, প্রতি মাসে সব বিভাগ একত্র হয়ে কাজের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে। ফলে দলীয় সমঝোতা ও পারস্পরিক যোগসূত্র স্থাপন হয়।মি. হিয়ামের প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতিটি বিভাগের কাজে যোগসূত্র তৈরি হয়। ফলে একে অন্যকে সাহায্যের মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারে। এতে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে গতিশীলতা আসে। এছাড়া, সব বিভাগের কাজ সমান তালে এগিয়ে যাওয়ায় কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়। মি. হিয়ামও তার প্রতিষ্ঠানে শুরুতেই সমন্বয়সাধনের ব্যবস্থা করেন। এতে বিভাগগুলো নিজস্ব পরিকল্পনায় এগিয়ে যেতে পারছে। তাই বলা যায়, সুষ্ঠু সমন্বয়সাধনের মাধ্যমে মি. হিয়ামের প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন হবে।