পরবর্তীতে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামো গ্রহণ করতে চায়।
প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভাগ তৈরি করে প্রতিটি বিভাগের দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব এক একজন বিশেষজ্ঞ কর্মীকে দেওয়া হয় যে সংগঠন পদ্ধতিতে তাকে কার্যভিত্তিক সংগঠন বলে। এ ধরনের সংগঠনে বিশেষজ্ঞ কর্মীদের উপদেষ্টা না করে সরাসরি নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে বিশেষজ্ঞ কর্মী সার্বিক দায়িত্বে থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক কাজ দক্ষতার সাথে দ্রুত সম্পন্ন হয়ে থাকে। এরূপ সংগঠন কে প্রতিটি বিভাগকে অন্যান্য বিভাগের সাথে কাজ করতে হয় ফলে বিভাগ গুলোর কর্মীদের মধ্যে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ হয়। কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্দিষ্ট থাকলে কর্মীদের কাজে উৎসাহ পান। এরূপ সংগঠনে বিশেষায়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, করোতোয়া লি কোম্পানিটির কাজের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাজকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে বিশেষজ্ঞ ব্যবস্থাপকদের দায়িত্ব প্রদান করতে চায়,যা কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামোর সাথে মিলে যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি যে সংগঠন কাঠামো তৈরি করতে চাই সেটি হলো কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামো।