উদ্দীপকে জনাব আরিফের নেতৃত্ব স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব এবং জনাব কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বটি হলো গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব। স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব নেতা নিজেকে সকল ক্ষমতার অধিকারী মনে করেন। তিনি অধস্তনদের কোন প্রকার মতামত। | গ্রহণ না করে একাই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং অধস্তনদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করেন। তিনি অধস্তনদের বল প্রয়ােগ, আদেশ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কাজ আদায় করেন। অপরদিকে,গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে দলের সিদ্ধান্ত-গ্রহণকেই পছন্দ করা হয়, অর্থাৎ এই নেতা দলের সঙ্গে প্রথমে আলোচনা করে তার পর নির্দেশ দেন। তিনি দলের সহযোগিতা লাভ করতে পারেন এবং দলকে কার্যকরী ও ইতিবাচকভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।উদ্দীপকে জনাব আরিফ বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য সবসময় কর্মী দের বকা দেন,কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামত নেন না এবং তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করেন।যার ফলে তিনি লক্ষ্য করছেন কর্মী দের প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে।কিন্তু,জনাব কামরুজ্জাান কর্মীদের সাথে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখেন এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে তাদের পরামর্শ নেন।জনাব আরিফের স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীদের দাস এর মত চালনা করা হয়।এই ধরনের নেতৃত্বে নেতা কর্মী দের পরামর্শ না নিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেন।এ ধরনের নেতৃত্ব কর্মীরা পছন্দ করে না ফলে,তারা কাজে উৎসাহ হারায়।তাই এই ধরনের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের জন্য সবসময় উপযোগী নয়।অন্যদিকে,জনাব কামরুজ্জামানের গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীদের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।ফলে কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকে এবং কাজে মনোযোগী হয়ে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে।যা প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনে খুবই কার্যকরী।তাই,আমি মনে করি যে,জনাব কামরুজ্জামানের নেতৃত্ব জনাব আরিফের নেতৃত্বের চেয়ে অধিক গ্রহণযোগ্য।