উদ্দীপকে ব্যবস্থাপনা চক্রের কাজগুলোর ধারাবাহিকতা উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি (পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ) ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। এটি পরিকল্পনার মাধ্যমে শুরু হয়ে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শেষ হয়। পরবর্তীতে আবার নতুন পরিকল্পনা করা হয়। এটিই ব্যবস্থাপনা চক্র।
উদ্দীপকের জনাব কবীর ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে বিশটি নতুন বাস নামানোর পরিকল্পনা করেন। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য তিনি কর্মী নিয়োগ দিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। তিনি কর্মীদের নির্দেশনা দেন। তাদের জন্য উদ্দীপনামূলক কর্মসূচি নিয়ে প্রেষণা দেন। এছাড়া সঠিকভাবে কাজ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সংশোধনী ব্যবস্থা নিয়ে কাজের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। এ কাজগুলো ব্যবস্থাপনার কাজের সাথে সম্পৃক্ত, যা ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ব্যবস্থাপনা চক্রের কাজগুলো প্রতিফলিত হয়েছে।