টেলিকনফারেন্সিং পদ্ধতিতে নেপচুন প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভা আয়োজনের যৌক্তিকতা আছে বলে আমি মনে করি।এ পদ্ধতিতে দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত ব্যক্তিদের সাথে আলোচনার ব্যবস্থা করা যায়। এটি সাধারণত দুই প্রকারের হয়ে থাকে- অডিও কনফারেন্স ও ভিডিও কনফারেন্স। অডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা শুধু মৌখিক কথা বিনিময় করতে পারে। আর ভিডিও কনফারেন্সে মিলিত ব্যক্তিরা একে অন্যের কথা শোনার পাশাপাশি দেখতেও পায়।উদ্দীপকের নেপচুন প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকদের নিয়ে সভা আয়োজন করে। এতে নিজেদের কর্মস্থলে বসেই আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকরা প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন। ফলে প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতের খরচের পাশাপাশি সময় বেঁচে যায়। আর দূরবর্তী স্থান থেকে এ আলোচনা সভা হলো টেলিকনফারেন্সিং।প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভায় শীর্ষ নির্বাহীগণ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আর অধীনস্থ আঞ্চলিক, ব্যবস্থাপকরাও যেকোনো সমস্যা সমাধানে সরাসরি পরামর্শ করার সুযোগ পান। এতে দূরে থেকেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। আর নির্বাহীদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাওয়ায় ব্যবস্থাপকরাও কাজে উৎসাহ পান। এছাড়া, নির্বাহীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যবস্থাপকদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন। এসব সুবিধা মূলত টেলিকনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে পাওয়া সম্ভব হয়। সুতরাং, সভা আয়োজনে নেপচুন-এর টেলিকনফারেন্সিং পদ্ধতিটির ব্যবহার সম্পূর্ণ যৌক্তিক।