উদ্দীপকে ব্যবস্থাপনার আদেশের ঐক্য, ন্যায্য পারিশ্রমিক ও সাম্যতা নীতির বাস্তবায়ন না করাতে ইউনুস মনঃক্ষুণ্ণ হয় বলে আমি মনে করি।আদেশের ঐক্য নীতি অনুযায়ী একজন কর্মীকে একই সময়ে শুধু একজন ঊর্ধ্বতন আদেশ দেন। ন্যায্য পারিশ্রমিকের নীতিতে কর্মীদের মানসিক ও শারীরিক শ্রমের বিনিময়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী সন্তোষজনক বেতন দেওয়া হয়। আর সাম্যের নীতি অনুযায়ী সকল কর্মীর প্রতি সমান আচরণ করা হয়।উদ্দীপকের ইউনুস একটি কলেজের বিভাগীয় সহকারী হিসেবে কাজ করে। এ কাজের পাশাপাশি তাকে পরীক্ষা কমিটির প্রধান বিভিন্ন সময় আদেশ দেন। এতে আদেশের ঐক্য নীতির লঙ্ঘন হয়। কারণ, দু'রকম আদেশ পাওয়ায় সে যথাযথভবে তার বিভাগের দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে, তার বেতন কলেজে কর্মরত অন্যান্য সহকারীর বেতনের সমান। আর ইউনুস অন্যদের চেয়ে বেশি কাজ করে। কিন্তু, তার প্রত্যাশা ও শ্রম অনুযায়ী তাকে ন্যায্য বেতন দেওয়া হয় না। এতে পারিশ্রমিকের নীতি লঙ্ঘিত হয়েছে।কলেজে প্রতি শুক্রবার বিভিন্ন প্রোগ্রাম থাকার ফলে ইউনুসকে এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে সে কোনো ছুটি কাটাতে পারে না। এক্ষেত্রে অন্যান্য সহকারীর তুলনায় তার প্রতি অসমান আচরণ করা হচ্ছে। এতে সাম্যতার নীতি লঙ্ঘন হচ্ছে। এসব নীতি লঙ্ঘনের ফলে সে ব্যথিত হয়। তার কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যায়। এ অবস্থা কোনো কর্মীই প্রত্যাশা করে না। তাই উক্ত নীতিগুলো লঙ্ঘনের কারণে ইউনুসের মনঃক্ষুণ্ণ হওয়ার যৌক্তিকতা আছে।