কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসনে জনাব মেহেরের অনার্থিক প্রেষণা পদ্ধতি প্রবর্তন করা সমীচীন হবে বলে আমি মনে করি।
অনার্থিক প্রেষণা হলো অর্থ ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বাইরে কর্মীদের প্রণোদনা করার ব্যবস্থা। অনার্থিক প্রেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের কাজের গতিশীলতা বাড়ায়।
উদ্দীপকে জনাব মেহেরের প্রতিষ্ঠানে কর্মীদেরকে বিরূপ ও অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশে কাজ করতে হয়। এমনকি তাদের কোনো প্রকার মতামত প্রকাশের সুযোগ দেয়া হয় না। ফলে প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের ভেতর অসন্তোষ ও ক্ষোভের অবস্থা সৃষ্টি হয়।
প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের কর্মস্পৃহা বাড়াতে এবং সন্তুষ্টি অর্জন করতে আর্থিক প্রেষণার পাশাপাশি অনার্থিক প্রেষণাও প্রদান করতে হয়। সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ প্রদান, নিরাপত্তা দান, উত্তম ব্যবহার, ভালো কাজের প্রশংসা, আকর্ষণীয় কাজ প্রভৃতি অনার্থিক প্রেষণার অন্তর্ভুক্ত। জনাব মেহেরকে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ ও উত্তম শ্রম- ব্যবস্থাপনা সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ তিনি প্রেষণা দানের অনার্থিক পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসন করে প্রতিষ্ঠান লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে।