ব্যবস্থাপনার সমন্বয়সাধন কাজটি যথাযথভাবে সম্পাদন করলে উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা নিরসনপূর্বক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে- কথাটি যৌক্তিক।
সমন্বয়সাধন বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের কাজকে একসূত্রে গ্রথিত ও সংযুক্ত করে। প্রতিষ্ঠানের সব স্তরেই যেহেতু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয় তাই একটি আদর্শ পরিকল্পনায় সব স্তর বা বিভাগকেই সমন্বয় করা উচিত।
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন বিভাগ ২০১৬ সালে ৫০০০ একক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। আবার অর্থ বিভাগ অর্থ বরাদ্দ না করায় ১০০০ একক কম উৎপাদন হয়। অন্যদিকে মানবসম্পদ বিভাগ অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করায় খরচ বেড়ে যায়। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগে লোক না থাকায় ও নষ্ট মেশিন ঠিক না করায় উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে। এ থেকে বোঝা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কোনো বিভাগের মধ্যে সমন্বয় নেই। একটি প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ের মাধ্যমে মতানৈক্য দূর করে সব বিভাগের মধ্যে সহযোগিতা, সমঝোতা, ভারসাম্য ও সামঞ্জস্যতা প্রতিষ্ঠা করা যায়। এতে প্রতিষ্ঠানের কাজের মধ্যে নিরবচ্ছিন্নতা ও ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির চারটি বিভাগের মধ্যেও যদি সমন্বয়সাধন নিশ্চিত করা যায়, তবে এক বিভাগের কর্মী অন্য বিভাগের কাজেও সহায়তা করতে পারবে। এতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এভাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নিরসনপূর্বক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব।