জনাব ওমর ফারুকের আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতাটি প্রতিষ্ঠানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের কর্মী ও অন্যান্যদের সাথে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ রক্ষা করার দক্ষতাকে আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতা বলে। এ ধরনের দক্ষতা পালন করতে গিয়ে একজন ব্যবস্থাপককে প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ও বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে কথা বলতে হয়, নির্দেশ-উপদেশ ও পরামর্শ দিতে হয়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা ও তাদের পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
উদ্দীপকে জনাব ওমর ফারুক ঢাকা ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানির চেয়ারম্যান। তিনি তাঁর নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের আবাসন নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন। নতুন নীতিমালা অনুসারে প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মকর্তা আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন বাসস্থান পাবেন। এছাড়াও জনাব ওমর ফারুকের উদ্যোগে এই কোম্পানিতে পেনসন, চিকিৎসা সুবিধা, পরিবারের নিরাপত্তা ইত্যাদি রয়েছে। এসব সুবিধা ভোগ করে কর্মীরা উচ্চ মনোবল নিয়ে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।
প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতার কম-বেশি প্রয়োজন। কারণ এ ধরনের দক্ষতা বলেই একজন ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ও বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে কথা বলতে পারে, নির্দেশ-উপদেশ ও পরামর্শ দিতে পারে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা ও তাদের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারে। এ ধরনের দক্ষতা বিরাজ করলে প্রতিষ্ঠানের সকলের মধ্যে একটা সুসম্পর্কের সৃষ্টি হয় এবং প্রতিষ্ঠান উন্নতিসাধন করতে পারে। উদ্দীপকের জনাব ওমর ফারুকের মধ্যে, এমন গুণগুলো বিদ্যমান, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।