যোগ্যতাভিত্তিক পদোন্নতি পদ্ধতি বিবেচনা করে সবুজকে পদোন্নতি দেওয়া যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের বিভিন্ন যোগ্যতা ও দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে যে পদোন্নতি দেওয়া হয় তাকে যোগ্যতাভিত্তিক পদোন্নতি বলে। আধুনিককালে অনেক প্রতিষ্ঠানেই কর্মীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে 'পদোন্নতি প্রদান করা হয়। পদোন্নতির এ পদ্ধতি অনুসারে প্রতিষ্ঠানে 'কর্মীদের কার্যদক্ষতা, কর্তব্যপরায়ণতা, ন্যায়নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ, আনুগত্য, দৈহিক ও মানসিক শক্তি, প্রশিক্ষণগত যোগ্যতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ইত্যাদি বিবেচনা করে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
উদ্দীপকে সবুজ ও সাথী দুই বন্ধু একসাথে এমবিএ পাস করে একই দিনে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করেন তারা দুজনে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জনে সহায়তা করেন। কিছুদিন পর সবুজ বিদেশ হতে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসেন এবং ৬ মাস পর সবুজ পদোন্নতি পেয়ে উচ্চ পদে যোগদান করেন। এতে সাথী মন খারাপ করে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান। অর্থাৎ সাথীকে পদোন্নতি না দেওয়ার কারণেই তিনি অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান।
উদ্দীপকের সবুজকে যোগ্যতাভিত্তিক পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এতে কর্মীর আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সাথে সাথে দায়িত্ব, ক্ষমতা ও মর্যাদা বাড়ে। ফলে কর্মী তার সর্বশক্তি প্রয়োগ করে স্বীয় যোগ্যতা বৃদ্ধিতে সচেষ্ট হয়। কারণ এতে কর্মীর কার্যদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মনোবলও বৃদ্ধি পায়, যা প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতি নিশ্চিত করে। তাই আমি মনে করি, যোগ্যতাভিত্তিক পদোন্নতি পদ্ধতি বিবেচনা করে সবুজকে পদোন্নতি দেওয়া যুক্তিযুক্ত হয়েছে।