কর্মীদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে জনাব নবীন হোসেনের সাম্য নীতি অনুসরণ করা উচিত বলে আমি মনে করি।
এ নীতিতে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল কর্মীর প্রতি ন্যায় ও সমান আচরণ প্রদর্শন করা হয়। সাম্য অর্থ সমান। প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল কর্মীর প্রতি সমান আচরণ, ন্যায়বিচার, নিরপেক্ষতা, সুবিচার ও সদ্ব্যবহার করাই এই নীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।
উদ্দীপকে জনাব নবীন হোসেন একটি উৎপাদনধর্মী প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থাপক। তিনি তার প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কাজ বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তিনি যেভাবে বিভিন্ন বিভাগকে সাজিয়েছেন, এতে দেখা যায় কোনো বিভাগ অধিক কর্মভারগ্রস্ত আবার কোনো বিভাগ অলস সময় কাটাচ্ছে। এছাড়াও তিনি প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মীকে সমান দৃষ্টিতে দেখেন না। এতে কর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
জনাব নবীন হোসেন উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনার সাম্য নীতি অনুসরণ না করায় কর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। কিন্তু নবীন হোসেন যদি প্রতিষ্ঠানে সাম্য নীতি প্রতিষ্ঠা করতেন তবে এমনটি হতো না। কারণ এ নীতি অনুসারে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মীদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব বণ্টিত হয়। নির্বাহীর চোখে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল কর্মী সমভাবে বিবেচিত হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মীদের আন্তরিকতা সৃষ্টি হয় এবং প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে সফল হয়। তাই আমি মনে করি, কর্মীদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে জনাব নবীন হোসেনের সাম্য নীতি অনুসরণ করা উচিত।