উদ্দীপকে জনাব মারুফ স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করেছেন।
এ নেতৃত্বে নেতা কৌশলে সকল ক্ষমতা নিজের কাছে কুক্ষিগত করে রাখে এবং ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরূপ নেতৃত্ব প্রাচীন মানসিকতা দোষে দুষ্ট এক ধরনের পরিচালনা কৌশল। এক্ষেত্রে নেতা প্রতিষ্ঠানের অধস্তনদের সাথে কোনো 'ধরনের পরামর্শ বা আলোচনা করে না। সাধারণত কর্মীরা যখন কাজ করতে চায় না, সেই ক্ষেত্রে এ ধরনের নেতৃত্ব প্রয়োগ করা হয়।
উদ্দীপকে জনাব মারুফ একটি কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক। তিনি কোনো কাজেই প্রতিষ্ঠানের অধস্তনদের মতামত গ্রহণ করেন না। নিজে যা ভালো মনে করেন তাই করেন। এতে অধস্তনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। জনাব মারুফের এমন নেতৃত্বটি স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে জনাব মারুফ স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করেছেন।