সাম্যের নীতি অনুসরণ করায় উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে পেরেছে বলে আমি মনে করি। প্রতিষ্ঠানের নিয়োজিত সকল কর্মীর প্রতি ন্যায় ও সমান আচরণ প্রদর্শন করাকে সাম্যের নীতি বলে। সাম্য অর্থ সমান। প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল কর্মীর প্রতি সমান আচরণ, ন্যায় বিচার, নিরপেক্ষতা ও সুবিচার ইত্যাদি করাই এ নীতির মূল বিষয়। উদ্দীপকের মি. কামাল একজন দক্ষ ব্যবস্থাপক। শারীরিক ও মানসিকভাবে তার সক্ষমতা আছে যে,১৮ ঘন্টা একনাকারে কাজ করলেও তিনি ক্লান্তি বোধ করেন না। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানে অধস্থনদের সবার সাথে তার আচরণ সমান। প্রত্যেককেই তিনি স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছেন। কাউকে বাড়তে সুযোগ দিতে তিনি পছন্দ করেন না। ফলে সকলের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ় এবং প্রতিষ্ঠানটিও ব্যবসায় সফল। কামাল ব্যবস্থাপনার সাম্যের নীতি প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ নীতি অনুসারে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মীদের তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী দায়িত্ব ও কর্তিত অর্পণ করা হয়। এই নীতি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল কর্মী সাম্যের বলে বিবেচিত হয়। ফলে কর্মীদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আন্তরিকতা সৃষ্টি হয় ফলে প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে সফল হয়। তাই বলা যায়, সাম্য নীতি অনুসরণ করায় উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায় সফলতা অর্জন করেছেন।