উদ্দীপকে নেতৃত্বটি হচ্ছে লাগামহীন নেতৃত্ব, এমন নেতৃত্ব পরিবর্তনের ফলে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের সফলতা এনে দিতে পারবে।যে নেতৃত্ব ব্যবস্থায় কর্ম বিমুখ নেতা নিজের কাছ থেকে দূরে থাকেন এবং নির্দিষ্ট অধঃস্তনদের ওপর স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্ভর করেন, তাকে লাগামহীন নেতৃত্ব বলে। এরকম নেতৃত্ব কর্মীরা কাজ করতে চায় না, বরং সুযোগ পেলেই কাজে ফাঁকি দেয়। ফলে প্রতিষ্ঠান বিচ্ছিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, একটি উৎপাদনমূখী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী যে কোন পরিস্থিতিতে ভয়-ভীতি ঊর্ধে থেকে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব করে। তিনি অল্পে ভেঙে পড়েন না। কিন্তু নেতৃত্ব দানের ক্ষেত্রে তিনি অদস্তন্দের অবাধ স্বাধীনতা দেন। অদস্তনদের থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখেন। তিনি শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়ে সরে পড়েন। ফলে এত দৃঢ় মানসিকতার লোক হয়েও সফল হতে পারছেন না। প্রতিষ্ঠানে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। আগামী নেতৃত্বে অধঃস্থন কর্মীরা অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করে। এতে কর্মীরা নিজেদের ইচ্ছামতো অফিসে আসে এবং ইচ্ছামত কাজ সম্পাদন করে। এদের প্রতিষ্ঠান তার উদ্দেশ্যে অর্জনে ব্যর্থ হয়। তাই এমন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানের জন্য কখনোই কাম্য নয়, বরং তা পরিহার করা উচিত। এতে আশা করা যায় প্রতিষ্ঠানের সফলতা আসবে। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকে লাগামহীন নেতৃত্বের পরিবর্তনের ফলেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি সফল হতে পারবেন।