নির্দেশনার কার্যকারিতা কর্মীর গ্রহণযোগ্যতার উপর নির্ভরশীল-উক্তিটি যথার্থ।
পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কর্মীদের কাজে আদেশ নির্দেশ প্রদান করাকে নির্দেশনা বলে। নির্দেশনা হলো সংগঠনের চালিকাশক্তি। ইঞ্জিন যেভাবে চালু করে এর গতি সঞ্চার করা হয়, ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় উপায় উপকরণকে সংহত করে একে সচল করতে নির্দেশনা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে মিসেস আরেশা একটি রুটি তৈরি কারখানার মালিক। তিনি প্রতি মাসে ৬০ হাজার পিস রুটি উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত কর্মীদের মতামত চান। পরবর্তীতে কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতি মাসে ৫০ হাজার পিস রুটি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। কর্মীরা যেন তাদের কাজের একটি পূর্ণচিত্র পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে নির্দেশনা দেন। এছাড়া মিসেস আরেশা সঠিক সময়ে সঠিক উপায়ে নির্দেশনা দেওয়ার ফলে কর্মীদের লক্ষ্য অর্জনে কোনো সমস্যা হয় না।
প্রতিষ্ঠানের গতিশক্তি শুধু নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল। তাই কার্যকর নির্দেশনা ছাড়া ব্যবস্থাপনার সকল আয়োজন ব্যর্থ হয়। কেননা নির্দেশনা প্রদান করে বস আর তা বাস্তবায়ন করে কর্মী। উক্ত নির্দেশনা কে যদি কর্মীরা সঠিকভাবে গ্রহণ না করে তবে কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। ফলেপ্রতিষ্ঠান তার উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে। তাই আমি মনে করি, নির্দেশনার কার্যকারিতা কর্মীর গ্রহণযোগ্যতার ওপর নির্ভরশীল।