উদ্দীপকে খামাটির লোকসান বন্ধে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রয়োজন।
যে নেতৃত্বে নেতা অধস্তনদের সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করে কার্য পরিচালনা করে তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। গণতান্ত্রিক নেতা কর্মীদের আদেশ দেন, প্রশ্ন করার সুযোগ দেন এবং কর্মীরা কোন কিছু জানতে চাইলে তা বুঝিয়ে দেন। এ নেতৃত্বের ফলে কর্মীদের দক্ষতা, মনোবল ও নৈতিকতা বৃদ্ধি পায়।
উদ্দীপকের মি. সোহেল একটি বৃহৎ আকার হাঁস মুরগির খামারের মালিক। তিনি খামার এর বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে শ্রমিকদের কঠোরভাবে দিকনির্দেশনা দেন। শ্রমিকরা দিক নির্দেশনা মেনে চলে। শ্রমিকদের মতামত গ্রহণে মি. সোহেলের কোন আগ্রহ দেখা যায় না। এতে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়ে। ফলে খামারটি লোকসানের সম্মুখীন হন। এমতাবস্থায় মি. শ্রমিকদের মতামত, পরামর্শ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করায় বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।
উদ্দীপকের সোহেলের নেতৃত্ব টি হচ্ছে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব। এরুপ নেতৃত্বে অধঃস্তনরা মালিকের প্রতি অসন্তোষ থাকে। ফলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কমে যায় এবং লোকসানের সম্মুখীন হন। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে ও এমনটি হয়েছে। এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করা উচিত। কারণ গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের কাছ থেকে কাজ আদায়ের পূর্বে তাদের সাথে পরামর্শ করে নেন এবং তাদের সুবিধা ও অসুবিধার বিষয়টি গুরুত্ব দেন। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মীদের আন্তরিকতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠান তার উদ্দেশ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়।