উদ্দীপকে মি. নিরূপের যোগাযোগের দ্বারা নির্দেশনা পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ কাজ সহজ হয়।
যে নির্দেশনা পদ্ধতিতে ঊর্ধ্বতন নির্বাহী বিভিন্ন ধরনের টেলিফোন, মোবাইল ফোন, সার্কুলার, সভা অনুষ্ঠান, আলোচনা, ইমেইল ও ইন্টারনেট ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মীদের নির্দেশনা প্রদান করে তাকে যোগাযোগের মাধ্যমে নির্দেশনা বলে। বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধরনের যোগাযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
উদ্দীপকের মি. নিরুপ মহানন্দা মোবাইল কোম্পানির বিক্রয় ব্যবস্থাপক হিসেবে সারা দেশে ৩০ জন সেলস অফিসার পরিচালনা করেন। তিনি কোন নির্দেশদানের পূর্বেই অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের সাথে নির্দেশনার বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ করেন। যার ফলে অধঃস্তনরা তার ওপর সন্তুষ্ট।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে যোগাযোগের মাধ্যমে নির্দেশনা পদ্ধতি কার্যকর ও সহজ হয়েছে। এরূপ যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে প্রয়োজনীয় কাজের পরামর্শ দেওয়া যায়। সাধারণত বৃহৎ আয়তন প্রতিষ্ঠান যখন ব্যবস্থাপকের পক্ষে সব কাজ সরজমিনে গিয়ে দেখা সম্ভব হয় না তখন এর পরিস্থিতি খুবই কার্যকর। এরূপ নির্দেশনা পদ্ধতিতে অধস্তনদের সাথে পরিচালকদের আন্তরিকতার সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের নিরুপের যোগাযোগের দ্বারা নির্দেশনা পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের তত্ত্ববোধন ও নিয়ন্ত্রণ কাজ সহজ হয়।