কেন্দ্রিকরণ নীতি অনুসরণ করায় রাশেদ অতি জরুরী বিষয়ে কর্মচারীদের সাথে পরামর্শ গ্রহণ করেন না, যা অবশ্যই যৌক্তিক। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা উচ্চ স্তরের ব্যবস্থাপকের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকাকে কেন্দ্রিকরণ নীতি বলে। কেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কোন অতিমাত্রায় কর্তৃত্বশালী হয়ে থাকে। ফলে যে কোন সিদ্ধান্ত তারা একাই গ্রহণ করে। উদ্দীপকের জনাব রাশেদ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কর্মকর্তা। কোন বিষয় তিনি একাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। কোন বিষয়ে অধস্তুনদের নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন হলে তিনি তাদের সাথে বসেন,আলাপ-আলোচনা করেন। ফলে কর্মচারীরা খুশি থাকেন এবং তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। তবে অতি জরুরী কোন বিষয় তিনি এমনটা করেন না। প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে একজন নেতাকে বিভিন্ন গুণের অধিকারী হতে হয়। উদ্দীপকের জনাব রাশেদ ও এমন একজন নেতা। তিনি কর্মীদের সাথে বিভিন্ন বিষয় পরামর্শ করলেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো তিনি একাই নেন। এরূপ সিদ্ধান্ত গুলো একা গ্রহণ করাই উত্তম। কেননা দেখা দিচ্ছে কর্মীদের সাথে পরামর্শ করলে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিচ্ছে। এতে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হয় বা গোপন তথ্য বাইরে চলে যেতে পারে যা প্রদর্শনের ক্ষতির কারণ। তাই আমি মনে করি, অতি জরুরী বিষয়ে কর্মচারীদের পরামর্শ গ্রহণ না করাটাই উত্তম।