ব্যবস্থাপনার কার্যাবলী সম্পর্কে যুক্ত প্রতিটি স্তর একে অন্যের পরিপূরক। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে পরিকল্পনা, সংগঠিতকরণ, সমন্বয় সাধন, প্রেষণা, নেতৃত্ব দান ও নিয়ন্ত্রণ। তাই বলা যায় ব্যবস্থাপনার কাজগুলো একে অন্যের উপর নির্ভরশীল।
পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনার প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পরিকল্পনা ছাড়া ব্যবসায় অন্যান্য কার্যসম্পাদন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে কি করা হবে তা অগ্রিম সিদ্ধান্তটাই পরিকল্পনা বলা হয়। পরিকল্পনার সঠিকভাবে করা না হলে সংগঠনের কাজ ব্যাহত হয়। কর্মীসংস্থান নির্ভর করে ভালো সংগঠনের ওপর। আর ভালো কর্মীসংস্থান সঠিক হলে নেতৃত্ব তারাই ক্ষেত্রে সফলতা লাভ করা যায়। সঠিক নেতৃত্ব প্রদান করা হলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা, প্রেষণা ও সমন্বয়সাধন আবশ্যক। নির্দেশনা, প্রেষণা ও সমন্বয় কেমন হবে তা পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে। পরিকল্পনার আলোকে প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী সম্পন্ন হলে যদি কোন বিচ্যুতি ঘটে তা নির্ণয় করে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, ব্যবস্থাপনা গুলো একে অপরের প্রতি নির্ভরশীল।