উদ্দীপকের শ্রমিকদের মধ্যকার অসন্তোষ দূরীকরণে ব্যবস্থাপনার পারিশ্রমিকের নীতিটি অনুসরণ করা উচিত।
প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীর কাজের প্রকৃতি, পরিমাণ, যোগ্যতা, শ্রম সময়, জীবনযাত্রার ব্যয়, পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে উপযুক্ত বেতন ও সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নীতিকেই পারিশ্রমিকের নীতি বলে। অর্থাৎ কাজের বিনিময়ে যা পাওয়া যায় তাই পারিশ্রমিক। উপযুক্ত পারিশ্রমিক কর্মীর মনে সন্তুষ্টি আনে।
উদ্দীপকে একটি কারখানায় ক ও খ নামে দুইজন সুপারভাইজারের অধীনে ১০ জন করে শ্রমিক দুইটি কক্ষে একই ধরনের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। শ্রমিকদের ওভারটাইমসংক্রান্ত বিষয়ে উভয় সুপারভাইজার কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনা একই রকম ছিল না। এক্ষেত্রে তাদের পারিশ্রমিকের হার একই রকম থাকলেও দুই কক্ষের শ্রমিকের কর্মঘণ্টাও ভিন্ন ছিল। ফলে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে ব্যবস্থাপনার পারিশ্রমিকের নীতি অনুসরণ করছে না। এতে শ্রমিকদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতি অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। যার ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের আন্তরিকতা কমে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমি মনে করি ব্যবস্থাপনার পারিশ্রমিকের নীতি মেনে শ্রমিকদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক প্রদান করা। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মীদের আন্তরিকতা বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের মধ্যকার অসন্তোষ দূর হবে।