উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য জনাব সাগর কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের যৌক্তিকতা রয়েছে।
পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কর্মীদের হাতে-কলমে শিক্ষাদানের পদ্ধতিকে প্রশিক্ষণ বলে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের নীতি, আদর্শ, উদ্দেশ্য এবং কাজ সম্পাদনের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে পারে। এছাড়াও নতুন নতুন আধুনিক প্রযুক্তি, কলা কৌশল, যন্ত্রপাতি সম্পর্কে কর্মীদের পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেওয়া সম্ভব হয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। তাই কর্মীদের দক্ষ জনশক্তি রুপে গড়ে তোলা যায়
উদ্দীপক জনাব সাগর একটি পোশাক শিল্পের মালিক।বর্তমান বছরে তিনি চার লক্ষ্য মিটার কাপড় সরবারাহের একটি ফরমায়েশ পান।তার কারখানাটির বার্ষিক কার্যদিবস ২৫০ দিন এবং দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ চলবে। তিনি উৎপাদন ব্যবস্থাপক্ষে সে অনুযায়ী নির্দেশ দেন। কিন্তু বছর শেষে দেখা গেল, মাত্র তিন লক্ষ একক মিটার কাপড় উৎপাদিত হয়েছে। এই অবস্থায় জনাব সাগর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম উৎপাদনের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করেন এবং নতুন প্রযুক্তি প্রবর্তনপূর্বক কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীরা নতুন প্রযুক্তির আধুনিক যন্ত্রপাতি সম্পর্কে জানতে পারবে। যার ফলে কর্মীদের কর্মদক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রতিষ্ঠান উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। তাই আমরা বলতে পারি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য জনাব সাগর কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম অত্যন্ত যৌক্তিক।