প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য অর্জনের জন্য মি. আশরাফের নেতৃত্বের ধরনটি অধিক উপযোগী আমি এর সাথে আমি একমত। যে নেতৃত্বে নেতা সব কর্তৃত্ব ক্ষমতা নিজের কাছে কেন্দ্রীভূত না রেখে সদস্য বা কর্মীদের সাথে আলাপ আলোচনা ও পরামর্শ করে কাজ পরিচালনা করেন তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সদস্যদের সাথে আলাপ আলোচনা করা হয়। এতে কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ততা বজায় থাকে। গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীরা নিজেদের যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে সমর্থ হন। উদ্দীপককে মি. রেজাউল স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করেন। অন্যদিকে মি. আশরাফ গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করেন। স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বে ভয়-ভীতি দেখিয়ে কাজ আদায় করে নেওয়া হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানে কর্মীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অংশ ভাবে না। অন্যদিকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কর্মীদের পরামর্শ নেওয়া হয় বলে তারা প্রতিষ্ঠানে নিজেদের কে প্রতিষ্ঠানের অংশ ভাবে, কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায় যে প্রতিষ্ঠান সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বের তুলনায় অধিক কার্যকর।