বিশেষায়নের দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামো অধিক কার্যকর হবে বলে আমি মনে করি। যে সংগঠন কাঠামোতে প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে কাজের প্রকৃতি অনুসারে বিভিন্নভাবে ভাগ করে এক এক বিভাগের কাজ এক এক কর্মীকে দেওয়া হয় তাকে কার্য বিভাজন বলে। বর্তমানে তীব্র প্রতিযোগিতামূলক ও জটিলতা পূর্ণ ব্যবসায়ী পরিমণ্ডলে কার্যের আয়তন ও প্রকৃতি জটিলতা বৃদ্ধি কার্যভিত্তিক সংগঠন খুবই কার্যকর। উদ্দীপকে মিসেস আরুফা একটি ভোগ্য পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী। তিনি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তবে প্রয়োজন হলে একজন নির্ধারিত উপদেষ্টার সহায়তা নেন। প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক ক্রমাগত বৃদ্ধির কারণে তিনি বিভিন্ন বিভাগ চালু করেন এবং প্রতিটি বিভাগে দক্ষ ব্যবস্থাপক নিয়োগ দেন। আবার, কখনো কখনো উপদেষ্টাকে বাদ দিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থাপকদের সাথে আলোচনা করে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্দীপকের সংগঠনটি তাদের সরলরৈখিক ও পদস্থ কর্মী সংগঠনের পাশাপাশি কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামো তৈরি করেন। কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজ নিজ বিভাগের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এছাড়া এই ধরনের সংগঠনের ব্যবস্থাপকগণ একই কাজ বারবার করে থাকে বলে কাজের প্রতি দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং কাজ করতে সহজ হয়।তাই বলা যায়, বিশেষায়নের দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামো অধিক কার্যকর।