উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করা উচিত। যে নেতৃত্বে নেতা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন এবং সকল সিদ্ধান্ত একক গ্রহণ করেন এছাড়া কাজ আদায়ের ক্ষেত্রে কর্মীদের ভয়-ভীতি ও শাস্তি প্রদান করেন, তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। অন্যদিকে যে নেতৃত্বে নেতা প্রতিষ্ঠানের যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে কর্মীদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, গণতন্ত্রের নেতৃত্ব বলে। উদ্দীপকের আব্দুল্লাহ আল নোমান একটি রাবার বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক।তিনি শ্রমিক কর্মীদের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যার প্রভাব পড়েছে তাদের কাছে। তাদের কাছে উৎসাহ কমে গেছে। ফলে বিগত বছর রাবারের উৎপাদন কমে যায়। গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে কারো সাথে আলোচনার প্রয়োজন বোধ করেনা। ফলে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা কমে যায়, তার প্রতিষ্ঠানের জন্য কখনোই কাম্য নয়। অন্যদিকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেতা সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে কর্মীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে নেয় এবং তাদের ভালো মন্দর দিকটি বিবেচনা করেন। ফলে কর্মীরা নেতার প্রতি সহানুভূতিশীল থাকে এবং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করা উচিত।