অধ্যবসায় (ঢা. বো. ১৭, ১৩, চ. বো. ২৩; কু. বো. ১৪; দি. বো. ২৫, ১৪; য. বো. ২৫, ১৭, ০৭; ব. বো. ২৫, ১৭, ০৫; রা. বো. ১৫; সি. বো. ২৫, ২৩; উত্তরা সরকারি কলেজ, ঢাকা; সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; সিলেট ক্যাডেট কলেজ)
উত্তর: অধ্যবসায় ভূমিকা: মানবজীবন আকাঙ্ক্ষায় পরিপূর্ণ। মানবহৃদয় আকাঙ্ক্ষারই বীজতলা। এখানে প্রতিদিনই স্বপ্নের অঙ্কুরোদ্গম ঘটে। স্বপ্নপূরণে সফল হতে চায় সকলেই। তবে স্বপ্নপূরণ কারো পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে আবার কারো কাছে তা অসম্ভব ব্যাপার হয়ে থেকে যায় অধরা। যারা সফল হয় তারা সকলেই অধ্যবসায়ী। সফলতার পেছনে একাগ্রচিত্তে নিরন্তর ছুটে চলে তারা। সামনে বাধা এলেও পিছপা না হয়ে ধৈর্য সহকারে গন্তব্যে পৌছানোর বিরামহীন প্রচেষ্টাই অধ্যবসায়। অধ্যবসায় কী: 'অধ্যবসায়' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো অবিরাম সাধনা। কোনো কাজে সফলতা অর্জনের লক্ষ্যে ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা ধারণের মধ্য দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা করার নামই অধ্যবসায়। মূলত, অধ্যবসায় হলো কিছু গুণের সমষ্টি। উদ্যম, উদ্যোগ, নিরন্তর কর্মপ্রচেষ্টা আর আন্তরিকতার মাধ্যমে অধ্যবসায় পরিপূর্ণতা পায়। অধ্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য: অধ্যবসায় মানবচরিত্রের একটি মহৎ গুণ। মানুষের নিরন্তর চেষ্টা, উদ্যোগ, আন্তরিকতা, পরিশ্রম, ধৈর্য ইত্যাদি কতিপয় মহৎ গুণ সম্পৃক্ত হয়েই অধ্যবসায়ের পরিচয় স্পষ্ট করে তোলে। মানবজীবন কর্মময়। এই কর্মময় জীবনে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, উৎসাহে উজ্জীবিত হয়ে, নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতার লক্ষ্য অর্জনে আত্মনিয়োগ করতে পারলেই অধ্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। অধ্যবসায়ের স্বরূপ: আজকের পৃথিবী আধুনিক সভ্যতার ধারক। পৃথিবীর মানুষ একদিনে এ অবস্থায় উন্নীত হয়নি। গুহাবাসী মানবজাতি হাজার বছরের সাধনা দিয়ে সাজিয়েছে তার প্রিয় আবাস এ পৃথিবীকে। শত-সহস্র বিরুদ্ধ শক্তিকে পরাজিত করে মানুষ আজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হিসেবে। নিরলস সাধনা আছে বলেই মানুষ ছুটে চলেছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে। নাসা হাউসে বসে রিমোট কন্ট্রোলে মহাশূন্যে নভোযান পাঠাচ্ছে মানুষ। নভোযান প্রেরিত নানা রকম ছবি কৌতূহল মেটাচ্ছে মানুষের। এসব কিছুর পিছনে আছে বহু বছরের পরিশ্রম। মানুষ দূর চাঁদের ধুলায় এঁকে দিয়েছে তার পদচিহ্ন। মঙ্গল গ্রহের মাটি খুঁড়ে নভোযান ফিনিক্স পৃথিবীবাসীর জন্য বয়ে এনেছে নতুন বার্তা। নিয়ত বৈরী পরিবেশকে ডিঙিয়ে জয়ী হওয়ার পুনঃপুন এ প্রচেষ্টাই অধ্যবসায়। পৃথিবী আজ এত সাজে সজ্জিত-এ অধ্যবসায়েরই ফলে। অধ্যবসায়ের প্রয়োজনীয়তা: একটি সফল মানবজীবন অধ্যবসায়েরই পরিণতি। যুগে যুগে যেসব ব্যক্তি সুখ্যাতির উচ্চ শিখরে আরোহণ করেছেন, তাঁদের সফলতার পিছনে অধ্যবসায় বড়ো ভূমিকা পালন করেছে। বড়ো বড়ো শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী-সেনানায়ক, ধর্মপ্রবর্তক- সকলেই ছিলেন অধ্যবসায়ী। তাঁরা বারবার ব্যর্থ হয়েও অক্লান্ত পরিশ্রম করে অসীম ধৈর্য সহকারে নিজ নিজ আদর্শের পথে অগ্রসর হয়েছেন ''কেন পান্থ ক্ষান্ত হও, হেরি দীর্ঘ পথ উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?'' কবির এ বাণী প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে সফলকামী মানুষের যাত্রাপথে। সকলের উচিত, অধ্যবসায়ের প্রয়োজনকে গ্রহণ করে উদ্যম না হারিয়ে সামনে এগিয়ে চলা। ছাত্রজীবনে অধ্যবসায়: ছাত্রজীবনে অধ্যবসায়ের বিকল্প নেই। মানুষের জীবন নির্মাণের প্রস্তুতিপর্ব এই ছাত্রজীবন। তাই যে ছাত্র যত বেশি অধ্যবসায়ী সে তত সুন্দর জীবনের অধিকারী হয়। যার ছাত্রজীবন আলস্যে পরিপূর্ণ তার পক্ষে কখনোই নন্দিত জীবনের তৃপ্তি ভোগ করা সম্ভব নয়। ছাত্রজীবনের প্রস্তুতিই জীবনের পরিপূর্ণতাকে নির্ধারণ করে। তাই গৌরবময় জীবনের অধিকারী হতে হলে ছাত্রজীবনেই হতে হবে অধ্যবসায়ী। ব্যক্তিজীবনে অধ্যবসায়: ব্যক্তিজীবনে মানুষ সকলেই স্বতন্ত্র। বুদ্ধিমত্তা ও শক্তির দিক থেকে মানুষ অসমান। কিন্তু সকলেই উচ্চ জীবনের মহিমা কামনা করে। সেক্ষেত্রে যদি অধ্যবসায়ের যথার্থ প্রয়োগ ঘটানো যায়, তবে শক্তির স্বল্পতা সাফল্যের পথে অন্তরায় হয়ে ওঠে না। তাই আত্মোন্নয়নের জন্য চাই অধ্যবসায়। অধ্যবসায় ও সমাজজীবন: মানুষ সামাজিক জীব। তাই সামাজিক জীব হিসেবে বেঁচে থাকা তার স্বাভাবিক স্বভাব। সমাজের সবকিছু ব্যক্তির জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে, ফলে সেই সমাজের নিয়মকানুনগুলো ব্যক্তির জীবনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক। মূলত, একটি সমাজের সমষ্টিগত সাফল্য সেই সমাজের ব্যক্তিদের দ্বারা অর্জিত হয়। কেননা, অধ্যবসায় সামাজিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ব্যক্তিই সমাজকে সুন্দর ও বসবাসযোগ্য করে তোলে। মানুষের আচরণ সমাজকে প্রভাবিত করে। সামাজিক অনুশীলনের মাধ্যমে যদি ব্যক্তির মানসিক শক্তি অর্জিত হয় তবে ব্যক্তি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের পথে এগিয়ে যেতে পারবে। বিশেষ করে সংগঠিত সমাজের বিকাশের ক্ষেত্রে একান্ত জরুরি। অধ্যবসায়ের সঙ্গে সাফল্যের সম্পর্ক: প্রতিটি মানুষই সফলতার শিখরে আরোহণ করতে চায়। মানুষ তার নিজের অবস্থান থেকে সফলতা অর্জনের জন্য যেকোনো উপায় অবলম্বন করে। আমাদের সমাজে একশ্রেণির মানুষ আছে যারা লক্ষ্য স্থির করে ঠিকই কিন্তু সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যেভাবে প্রচেষ্টা চালানো উচিত সে অনুযায়ী কাজ না করে অল্পতেই দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং একসময় লক্ষ্যে পৌঁছানোর চিন্তা বাদ দিয়ে দেয়। তাই জীবন সংগ্রামে সফলতা অর্জন করতে হলে দরকার অধ্যবসায়। আর সাফল্য সম্পূর্ণরূপে অধ্যবসায়ের উপর নির্ভরশীল। জীবনে চলার পথে অনেক বাধাবিপত্তি আসে মানুষকে সেসব বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। তবেই সফলতা অর্জন সম্ভব হয়। কেননা জীবনে সব কাজ খুব সহজে সমাধান করা না। তাই সাফল্য লাভের একমাত্র মাধ্যম হলো অধ্যবসায়। জাতীয় জীবনে অধ্যবসায়: জাতীয় জীবনে গৌরব প্রতিষ্ঠা করতে হলে জাতিকে অধ্যবসায়ী হতে হবে। ব্যক্তির অধ্যবসায় জাতির জন্য বৃহত্তর কল্যাণ বয়ে আনে। নিতান্ত ক্ষুদ্র ব্যক্তি থেকে আবিষ্কারক, বীরপুরুষ, সমাজ সংস্কারক, রাষ্ট্রনায়ক, শিল্পী, সাহিত্যিক হয়ে বিস্ময়কর যে সাফল্য ব্যক্তি লাভ করে, তা অন্য অর্থে জাতিরই সাফল্য। তাই গর্বিত জাতি হিসেবে নিজ রাষ্ট্র বা জাতিকে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতেও অধ্যবসায় জরুরি। জ্ঞানবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অধ্যবসায়: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে রয়েছে অধ্যবসায়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিজ্ঞানের প্রতিটি আবিষ্কারের পিছনে মানুষের নিরলস সাধনা ও শ্রম। বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কার যেমন মানুষ বিদ্যুৎ আবিষ্কার করে অন্ধকার দূর করেছে, বিমান আবিষ্কার করে জয় করেছে আকাশ, রকেটের সাহায্যে জয় করেছে চন্দ্র বিজয়ের গৌরব। ইন্টারনেট আবিষ্কার করে বিশ্বকে এনেছে হাতের মুঠোয়। মানুষের এসব সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার অদম্য সাধনা আর অধ্যবসায়। অধ্যবসায় ও আজকের বিশ্ব: বর্তমান বিশ্বে অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই। আজকের বিশ্ব মূলত অধ্যবসায়ের বলে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছেছে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, রাশিয়া, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা প্রভৃতি দেশ কেবল অধ্যবসায়ের ফলেই উন্নতির শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। প্রতিভা ও অধ্যবসায়: অনেকে প্রতিভার স্তুতি গাইতে গিয়ে প্রতিভাকে অধ্যবসায়ের উপরে স্থান দেন। বস্তুত সত্য হলো- প্রতিভা নয় বরং অধ্যবসায়ই সাফল্যের চাবিকাঠি। যদি এমন কেউ থাকে, যে কি না অধ্যবসায়হীন অথচ নিজেকে প্রতিভাবান দাবি করে আলস্যে গৃহকোণে পড়ে থাকে, তবে তাকে জ্ঞানী বলাই হবে জ্ঞানহীনের কাজ। জগতের সকল কীর্তিমানই স্বীকার করেছেন যে, তাঁদের কৃতকার্যের পেছনে কেবল প্রতিভা ছিল না, ছিল কঠোর অধ্যবসায়। অধ্যবসায় সাফল্যের চাবিকাঠি: কোনো কাজে সফলতা অর্জনের জন্য দরকার অধ্যবসায়। অধ্যবসায় ব্যতিরেকে কোনো কাজে সফলতা অর্জনে সম্ভব নয়। কোনো কাজে ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়ে দেওয়া কোনো সুবিবেচকের কাজ নয়। যে ব্যক্তি ব্যর্থতার তিক্ত অভিজ্ঞতা লাভ করে অধ্যবসায়ের সঙ্গে বারবার চেষ্টা চালিয়ে যান, সফলতা তার জন্য সুনিশ্চিত। ব্যর্থতার হতাশা কাটিয়ে বরং দ্বিগুণ উৎসাহে কাজে মনোনিবেশ করা উচিত। অধ্যবসায়ের শক্তি যার যত বেশি সে তত বেশি প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে। অবিচল অধ্যবসায়ের দ্বারা স্বর্ণ শিখরে আরোহণ করা সম্ভব। সুতরাং বলা যায়, একমাত্র অধ্যবসায়ই মানবজীবনে সোনালি যুগের সূচনা'করতে পারে। অধ্যবসায়ের ভূমিকা: পৃথিবীর প্রতিটি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের পশ্চাতে রয়েছে অধ্যবসায়ের উজ্জ্বল ভূমিকা। মানুষ বিদ্যুৎ আবিষ্কার করে দূর করেছে আঁধার, বিমান আবিষ্কার করে জয় করেছে আকাশ, রকেটের সাহায্যে অর্জন করেছে চন্দ্রবিজয়ের গৌরব। আর এসব সাফল্যের পিছনে কাজ করেছে মানুষের যুগ-যুগান্তরের সাধনা ও অবিরাম অধ্যবসায়। মানুষ ও অধ্যবসায়: অধ্যবসায় মানব চরিত্রের একটি শ্রেষ্ঠ গুণ। সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে মানুষ তার শ্রম ও সাধনার বলে জীবনকে গড়ে তুলেছে। পৃথিবীকে করেছে সুন্দর ও সার্থক। মানুষের সকল প্রতিকূলতার জয় করার মূলে রয়েছে অধ্যবসায়। নিরন্তর শ্রম ও অনুশীলনের মাধ্যমে এ বৃত্তির বিকাশ সাধিত হয়। অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই মানুষ গড়ে তুলেছে প্রাচীন ও আধুনিক সভ্যতা। মানুষ যদি কোনো কাজে ব্যর্থ হয়ে হতাশায় নিজেকে নিমজ্জিত করে তাহলে তার জীবনে কখনো উন্নতি করা সম্ভব হয় না। অধ্যবসায়ের দৃষ্টান্ত: মহামনীষীদের জীবনচরিত আলোচনা করলে অধ্যবসায়ের দৃষ্টান্ত মেলে। নেপোলিয়ন অধ্যবসায়ী না হলে বলতে পারতেন না, 'অসম্ভব' শব্দটি কেবল বোকাদের অভিধানেই পাওয়া যায়। বিজ্ঞানী নিউটন, আইনস্টাইন, মনীষী কার্লাইল, স্কটল্যান্ডের রাজা রবার্ট ব্রুসসহ জগতের বিভিন্ন মনীষীর জীবনে অধ্যবসায়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বর্তমান। অধ্যবসায় বিমুখের ফলাফল: অধ্যবসায়ের অভাবে অনেক প্রতিভা অচিরেই নষ্ট হয়ে যায়। অধ্যবসায়হীন মানুষ জড় পদার্থে পরিণত হয়। ফলে তাদের দ্বারা কোনো মহৎ কর্ম সাধিত হয় না। জীবনে চলার পথে তারা পদে পদে মুখ থুবড়ে পড়ে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের ব্যর্থতা অনিবার্য। একসময় তারা কালের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়। সমাজ তাদের নিক্ষেপ করে আস্তাকুঁড়ে। অধ্যবসায় না করে কেবল ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে জীবনের অধঃপতন অনিবার্য। উপসংহার: বর্তমান যুগ তীব্র প্রতিযোগিতার যুগ। এ যুগে অধ্যবসায়হীন কোনো মানুষ নিজেকে সফলভাবে তুলে ধরতে পারবে না। ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে তাকে অবদান রাখতে হলে অধ্যবসায়কে মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। জগতে যারা অধ্যবসায়ী, সংকল্পে অটুট এবং জীবনে যারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাদের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই। তাই মানবজীবনে অধ্যবসায়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
HSC Bangla 2nd Paper প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা · সৃজনশীল
অধ্যবসায় (ঢা. বো. ১৭, ১৩, চ. বো. ২৩; কু. বো. ১৪; দি. বো. ২৫, ১৪; য. বো. ২৫, ১৭, ০৭; ব. বো. ২৫, ১৭, ০৫; রা. বো. ১৫; সি. বো. ২৫, ২৩; উত্তরা সরকারি কলেজ, ঢাকা; সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; সিলেট ক্যাডেট কলেজ)
উত্তর