শেয়ারFacebookWhatsApp

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান (বি. বো. ২৩; ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।)

উত্তর: চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান ভূমিকা: 'বিজ্ঞান' শব্দটির অর্থ বিশেষ জ্ঞান। তার ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা পুঁজি করে কোনো ধারণাকে বিশ্লেষণ করেই আবিষ্কার করে বিশেষ কোনো জ্ঞান। এ বিজ্ঞানের আবিষ্কার মানুষের জীবনে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে। বিজ্ঞান বিশ্বসভ্যতাকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। মানবজীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞান অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। মানুষ তার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি মুহূর্তে বিজ্ঞানকে প্রয়োগ করে চলেছে। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির সাহায্যে চিকিৎসাপদ্ধতিতে আজ এসেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। বিজ্ঞান চিকিৎসাক্ষেত্রে নব আশীর্বাদরূপে আবির্ভূত হয়েছে। স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য চাই উন্নততর চিকিৎসাব্যবস্থা। তাই চিকিৎসাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে বিজ্ঞান মানুষের স্বাস্থ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মানুষ দুরারোগ্য ও জটিল সব রোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছে বিজ্ঞানের আশীর্বাদে। প্রাচীনকালের চিকিৎসাব্যবস্থা: চিকিৎসাব্যবস্থা প্রাচীনকালে উন্নত ছিল না। বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থা তখন ছিল অকল্পনীয়। সেসময় মানুষ রোগমুক্তির জন্যে বিভিন্ন ধরনের কবিরাজি ওষুধ, গাছগাছালি, দোয়া, তাবিজ-কবজ, পানিপড়া ইত্যাদির উপর নির্ভর করত। ফলে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থার অভাবে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষের সুচিকিৎসা হতো না। চিকিৎসাক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি না থাকায় এসব জটিল রোগ নির্ণয় করাও ছিল দুঃসাধ্য। ফলে সুচিকিৎসার অভাবে মারা যেত অনেকে। বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাব্যবস্থার আধুনিক যুগ: চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটস প্রথম অন্ধ কুসংস্কার ত্যাগ করে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। আধুনিক চিকিৎসার ধ্যানধারণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞান বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। বিজ্ঞানের অবদানে আবিষ্কৃত হয়েছে রোগ নির্ণয়ের নতুন নতুন যন্ত্রপাতি। এসব যন্ত্রের সাহায্যে জটিল সব রোগ নির্ণয় করা সম্ভবপর হয়েছে আধুনিক যুগে। আধুনিক যুগে কবিরাজি চিকিৎসার পরিবর্তে হোমিওপ্যাথিক, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার প্রবর্তন হয়েছে। প্রাচীনকালের মতো মানুষ কবিরাজি ওষুধের উপর নির্ভর না করে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ফলে কঠিন সব রোগের হাত থেকে তারা মুক্তি পাচ্ছে। বিজ্ঞানের অবদানেই কঠিন ব্যাধির নিরাময়ে পেনিসিলিন, ক্লোরোমাইসিন, স্ট্রেপটোমাইসিন ইত্যাদি ঔষধ আবিষ্কৃত হয়েছে। তাই আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার সূচনায় বিজ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য। রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞান: রোগ নিরাময়ের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হয় রোগ নির্ণয়ের। সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমেই রোগের সঠিক ওষুধ প্রয়োগ করা সম্ভব। সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে না পারলে সঠিক চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। তাই রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসাক্ষেত্রে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে বিজ্ঞান। রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, মাইক্রোসকোপ, আলট্রাসনোগ্রাফি, এমআরআই ইত্যাদি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে শরীরে পরীক্ষা চালিয়ে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। আর এসবই বিজ্ঞানের অবদান। রোগ প্রতিরোধে বিজ্ঞান: রোগ নির্ণয়ের পর তা প্রতিরোধের প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় রোগ নিরাময়ের। তবে রোগ নিরাময়ের চেয়ে রোগ প্রতিরোধই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রোগে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই তা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হলে রোগের অতিরিক্ত ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বিজ্ঞান এ অসাধ্যকে সাধন করেছে। বিজ্ঞানের আবির্ভাবে রোগ প্রতিরোধের জন্য নানা ধরনের পন্থা আবিষ্কৃত হয়েছে। হাম, যক্ষ্মা, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, বসন্ত, ডিপথেরিয়া ইত্যাদি জটিল রোগগুলো প্রতিরোধের জন্য প্রতিষেধক টিকার ব্যবস্থা হয়েছে। বিজ্ঞানের বদৌলতেই এসব সম্ভব হয়েছে। রোগ নিরাময়ে বিজ্ঞান: আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা বিজ্ঞানের আশীর্বাদেই সম্ভব হয়েছে। রোগ নিরাময়ের আধুনিক সব ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে। বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতির ফলেই পেনিসিলিন স্ট্রেপটোমাইসিন, ক্লোরোমাইসিন ইত্যাদি মহৌষধের আবিষ্কার হয়েছে। এছাড়া সর্দি, জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা, জন্ডিস, গ্যাস্ট্রিক ইত্যাদি ছোটোখাটো যেসব রোগ যা প্রতিনিয়তই মানুষের জীবনে লেগে আছে তারও অনেক প্রকার ওষুধ বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে। তবে দূরারোগ্য ব্যাধি এইডস, ক্যানসার, SARS প্রভৃতি রোগের ওষুধ বিজ্ঞান এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনি। তবে প্রাথমিক অবস্থার নির্ণয় করা গেলে ক্যানসার রোগ নিরাময় সম্ভব হচ্ছে। এসব রোগের ওষুধ আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ভবিষ্যতে এসব রোগ নিরাময়ের ওষুধও বিজ্ঞান মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে দেবে। হেনরি ডেভিডের মতে, 'বিজ্ঞান বিশ্বসভ্যতায় অনেক বিস্ময়কর উপহার দিয়েছে। এ বিস্ময়ের অন্যতম হলো আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা।' জটিল রোগের চিকিৎসায় বিজ্ঞান: চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের সংযোজনের ফলে অনেক দুরারোগ্য রোগের ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে। ফলে মানুষ জটিল সব রোগ থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পেয়েছে। কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিও আজ রোগমুক্তি লাভে আশার আলো দেখছে। অধ্যাপক কুরি ও মাদাম কুরির আবিষ্কৃত রেডিয়াম ব্যবহার করে দুরারোগ্য ক্যানসার রোগেরও চিকিৎসা করছেন চিকিৎসকরা। অনেক ক্ষেত্রেই এ ভয়ংকর ক্যানসার রোগ থেকে মানুষ মুক্তি পাচ্ছে। ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের ফলে এককালের মহামারি বসন্ত রোগের চিকিৎসা সহজতর হয়েছে। আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে অপারেশন করা হচ্ছে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীকে। মানবদেহে হৃৎপিণ্ড, কিডনি প্রভৃতি সংযোজন করা সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের কল্যাণেই। প্লাস্টিক সার্জারি করে মানুষের শরীরের আকৃতি বা চেহারা পরিবর্তনের মতো দুঃসাধ্য কাজও সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের আশীর্বাদে। মানবদেহের কোনো অঙ্গের হানি ঘটলে (যেমন: হাত, পা, আঙুল ইত্যাদি) যন্ত্রপাতি দিয়ে নতুন হাত-পা তৈরি করে মানবদেহে সংযোজন করা সম্ভব হচ্ছে। সর্বোপরি, চিকিৎসার প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিজ্ঞান অবদান রাখছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের গুরুত্ব: চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। অনেক অসাধ্য ও. দুঃসাধ্য রোগ নির্ণয় ও তার চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কার করেছে বিজ্ঞান। সুস্থ-সবল মানুষই জাতিকে উন্নতির দিকে ধাবিত করে। বিজ্ঞান যদি চিকিৎসাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন না আনত তাহলে কঠিন সব রোগব্যাধি থেকে মানুষ মুক্তি পেত না। প্রতিনিয়ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ত অসংখ্য মানুষ। অসুস্থ, অথর্ব মানুষ নিয়ে বিশ্ব হয়ে পড়ত অচল। কিন্তু বিজ্ঞান মানুষকে সচল রাখছে। মানুষের জীবনের সুখ-শান্তি বয়ে আনছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞান বিশ্বসভ্যতার জন্য একাধারে আশীর্বাদ এবং অভিশাপও। কিন্তু চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান শুধু আশীর্বাদই বহন করছে। এ প্রসঙ্গে কিপলিং বলেন, 'বিজ্ঞানের আশীর্বাদে বিশ্বমানবতা কখনো উল্লসিত হয়, আবার অনেক সময় তার বিভীষিকাময় রূপে বিশ্বসভ্যতা থমকে দাঁড়ায়। কিন্তু চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে শুধু আশীর্বাদ আর আশীর্বাদ।' সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানও বসে নেই। সময় যেমন পালটাচ্ছে তেমনি রোগও বাড়ছে এবং বিজ্ঞানীরাও ওষুধ আবিষ্কার করছে। সম্প্রতি প্রভাব বিস্তারকারী একটি রোগ হলো বার্ড ফ্লু 'যা মানুষের তথা অন্যান্য জীবজন্তুর জন্য ভয়ংকর। এক্ষেত্রেও বিজ্ঞান এ রোগের হাত থেকে নিরাময়ের উপায় বের করছে। উপসংহার: সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অগ্রগতি ঘটেই চলেছে। বিজ্ঞানের আশীর্বাদে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিস্ময়কর উন্নতি সাধিত হয়েছে। মানুষ আর এখন কঠিন রোগে হাল ছাড়ে না। চিকিৎসাবিজ্ঞান মানুষের মাঝে বাঁচার আশা জাগিয়েছে। একদেশে চিকিৎসার সুব্যবস্থা না থাকলে অন্যদেশে মানুষ ছুটে চলেছে উন্নত চিকিৎসার আশায়। হয়তো চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে প্রচুর অর্থের তবুও চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার ফলে মানুষ বহুলাংশে রোগজনিত মৃত্যুকে জয় করে চলেছে।

HSC Bangla 2nd Paper প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা · সৃজনশীল

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান (বি. বো. ২৩; ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।)

উত্তর

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান ভূমিকা: 'বিজ্ঞান' শব্দটির অর্থ বিশেষ জ্ঞান। তার ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা পুঁজি করে কোনো ধারণাকে বিশ্লেষণ করেই আবিষ্কার করে বিশেষ কোনো জ্ঞান। এ বিজ্ঞানের আবিষ্কার মানুষের জীবনে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে। বিজ্ঞান বিশ্বসভ্যতাকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। মানবজীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞান অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। মানুষ তার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি মুহূর্তে বিজ্ঞানকে প্রয়োগ করে চলেছে। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির সাহায্যে চিকিৎসাপদ্ধতিতে আজ এসেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। বিজ্ঞান চিকিৎসাক্ষেত্রে নব আশীর্বাদরূপে আবির্ভূত হয়েছে। স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য চাই উন্নততর চিকিৎসাব্যবস্থা। তাই চিকিৎসাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে বিজ্ঞান মানুষের স্বাস্থ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মানুষ দুরারোগ্য ও জটিল সব রোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছে বিজ্ঞানের আশীর্বাদে। প্রাচীনকালের চিকিৎসাব্যবস্থা: চিকিৎসাব্যবস্থা প্রাচীনকালে উন্নত ছিল না। বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থা তখন ছিল অকল্পনীয়। সেসময় মানুষ রোগমুক্তির জন্যে বিভিন্ন ধরনের কবিরাজি ওষুধ, গাছগাছালি, দোয়া, তাবিজ-কবজ, পানিপড়া ইত্যাদির উপর নির্ভর করত। ফলে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থার অভাবে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষের সুচিকিৎসা হতো না। চিকিৎসাক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি না থাকায় এসব জটিল রোগ নির্ণয় করাও ছিল দুঃসাধ্য। ফলে সুচিকিৎসার অভাবে মারা যেত অনেকে। বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাব্যবস্থার আধুনিক যুগ: চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটস প্রথম অন্ধ কুসংস্কার ত্যাগ করে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। আধুনিক চিকিৎসার ধ্যানধারণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞান বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। বিজ্ঞানের অবদানে আবিষ্কৃত হয়েছে রোগ নির্ণয়ের নতুন নতুন যন্ত্রপাতি। এসব যন্ত্রের সাহায্যে জটিল সব রোগ নির্ণয় করা সম্ভবপর হয়েছে আধুনিক যুগে। আধুনিক যুগে কবিরাজি চিকিৎসার পরিবর্তে হোমিওপ্যাথিক, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার প্রবর্তন হয়েছে। প্রাচীনকালের মতো মানুষ কবিরাজি ওষুধের উপর নির্ভর না করে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ফলে কঠিন সব রোগের হাত থেকে তারা মুক্তি পাচ্ছে। বিজ্ঞানের অবদানেই কঠিন ব্যাধির নিরাময়ে পেনিসিলিন, ক্লোরোমাইসিন, স্ট্রেপটোমাইসিন ইত্যাদি ঔষধ আবিষ্কৃত হয়েছে। তাই আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার সূচনায় বিজ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য। রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞান: রোগ নিরাময়ের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হয় রোগ নির্ণয়ের। সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমেই রোগের সঠিক ওষুধ প্রয়োগ করা সম্ভব। সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে না পারলে সঠিক চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। তাই রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসাক্ষেত্রে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে বিজ্ঞান। রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, মাইক্রোসকোপ, আলট্রাসনোগ্রাফি, এমআরআই ইত্যাদি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে শরীরে পরীক্ষা চালিয়ে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। আর এসবই বিজ্ঞানের অবদান। রোগ প্রতিরোধে বিজ্ঞান: রোগ নির্ণয়ের পর তা প্রতিরোধের প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় রোগ নিরাময়ের। তবে রোগ নিরাময়ের চেয়ে রোগ প্রতিরোধই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রোগে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই তা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হলে রোগের অতিরিক্ত ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বিজ্ঞান এ অসাধ্যকে সাধন করেছে। বিজ্ঞানের আবির্ভাবে রোগ প্রতিরোধের জন্য নানা ধরনের পন্থা আবিষ্কৃত হয়েছে। হাম, যক্ষ্মা, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, বসন্ত, ডিপথেরিয়া ইত্যাদি জটিল রোগগুলো প্রতিরোধের জন্য প্রতিষেধক টিকার ব্যবস্থা হয়েছে। বিজ্ঞানের বদৌলতেই এসব সম্ভব হয়েছে। রোগ নিরাময়ে বিজ্ঞান: আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা বিজ্ঞানের আশীর্বাদেই সম্ভব হয়েছে। রোগ নিরাময়ের আধুনিক সব ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে। বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতির ফলেই পেনিসিলিন স্ট্রেপটোমাইসিন, ক্লোরোমাইসিন ইত্যাদি মহৌষধের আবিষ্কার হয়েছে। এছাড়া সর্দি, জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা, জন্ডিস, গ্যাস্ট্রিক ইত্যাদি ছোটোখাটো যেসব রোগ যা প্রতিনিয়তই মানুষের জীবনে লেগে আছে তারও অনেক প্রকার ওষুধ বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে। তবে দূরারোগ্য ব্যাধি এইডস, ক্যানসার, SARS প্রভৃতি রোগের ওষুধ বিজ্ঞান এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনি। তবে প্রাথমিক অবস্থার নির্ণয় করা গেলে ক্যানসার রোগ নিরাময় সম্ভব হচ্ছে। এসব রোগের ওষুধ আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ভবিষ্যতে এসব রোগ নিরাময়ের ওষুধও বিজ্ঞান মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে দেবে। হেনরি ডেভিডের মতে, 'বিজ্ঞান বিশ্বসভ্যতায় অনেক বিস্ময়কর উপহার দিয়েছে। এ বিস্ময়ের অন্যতম হলো আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা।' জটিল রোগের চিকিৎসায় বিজ্ঞান: চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের সংযোজনের ফলে অনেক দুরারোগ্য রোগের ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে। ফলে মানুষ জটিল সব রোগ থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পেয়েছে। কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিও আজ রোগমুক্তি লাভে আশার আলো দেখছে। অধ্যাপক কুরি ও মাদাম কুরির আবিষ্কৃত রেডিয়াম ব্যবহার করে দুরারোগ্য ক্যানসার রোগেরও চিকিৎসা করছেন চিকিৎসকরা। অনেক ক্ষেত্রেই এ ভয়ংকর ক্যানসার রোগ থেকে মানুষ মুক্তি পাচ্ছে। ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের ফলে এককালের মহামারি বসন্ত রোগের চিকিৎসা সহজতর হয়েছে। আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে অপারেশন করা হচ্ছে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীকে। মানবদেহে হৃৎপিণ্ড, কিডনি প্রভৃতি সংযোজন করা সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের কল্যাণেই। প্লাস্টিক সার্জারি করে মানুষের শরীরের আকৃতি বা চেহারা পরিবর্তনের মতো দুঃসাধ্য কাজও সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের আশীর্বাদে। মানবদেহের কোনো অঙ্গের হানি ঘটলে (যেমন: হাত, পা, আঙুল ইত্যাদি) যন্ত্রপাতি দিয়ে নতুন হাত-পা তৈরি করে মানবদেহে সংযোজন করা সম্ভব হচ্ছে। সর্বোপরি, চিকিৎসার প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিজ্ঞান অবদান রাখছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের গুরুত্ব: চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। অনেক অসাধ্য ও. দুঃসাধ্য রোগ নির্ণয় ও তার চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কার করেছে বিজ্ঞান। সুস্থ-সবল মানুষই জাতিকে উন্নতির দিকে ধাবিত করে। বিজ্ঞান যদি চিকিৎসাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন না আনত তাহলে কঠিন সব রোগব্যাধি থেকে মানুষ মুক্তি পেত না। প্রতিনিয়ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ত অসংখ্য মানুষ। অসুস্থ, অথর্ব মানুষ নিয়ে বিশ্ব হয়ে পড়ত অচল। কিন্তু বিজ্ঞান মানুষকে সচল রাখছে। মানুষের জীবনের সুখ-শান্তি বয়ে আনছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞান বিশ্বসভ্যতার জন্য একাধারে আশীর্বাদ এবং অভিশাপও। কিন্তু চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান শুধু আশীর্বাদই বহন করছে। এ প্রসঙ্গে কিপলিং বলেন, 'বিজ্ঞানের আশীর্বাদে বিশ্বমানবতা কখনো উল্লসিত হয়, আবার অনেক সময় তার বিভীষিকাময় রূপে বিশ্বসভ্যতা থমকে দাঁড়ায়। কিন্তু চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে শুধু আশীর্বাদ আর আশীর্বাদ।' সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানও বসে নেই। সময় যেমন পালটাচ্ছে তেমনি রোগও বাড়ছে এবং বিজ্ঞানীরাও ওষুধ আবিষ্কার করছে। সম্প্রতি প্রভাব বিস্তারকারী একটি রোগ হলো বার্ড ফ্লু 'যা মানুষের তথা অন্যান্য জীবজন্তুর জন্য ভয়ংকর। এক্ষেত্রেও বিজ্ঞান এ রোগের হাত থেকে নিরাময়ের উপায় বের করছে। উপসংহার: সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অগ্রগতি ঘটেই চলেছে। বিজ্ঞানের আশীর্বাদে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিস্ময়কর উন্নতি সাধিত হয়েছে। মানুষ আর এখন কঠিন রোগে হাল ছাড়ে না। চিকিৎসাবিজ্ঞান মানুষের মাঝে বাঁচার আশা জাগিয়েছে। একদেশে চিকিৎসার সুব্যবস্থা না থাকলে অন্যদেশে মানুষ ছুটে চলেছে উন্নত চিকিৎসার আশায়। হয়তো চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে প্রচুর অর্থের তবুও চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার ফলে মানুষ বহুলাংশে রোগজনিত মৃত্যুকে জয় করে চলেছে।
HSCBangla 2nd Paperপ্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চি. বো. ২৩)

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চি. বো. ২৩)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মাদকাসক্তি ও তরুণ সমাজ (কু. বো. ২৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা; সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ, টঙ্গী, গাজীপুর।)

মাদকাসক্তি ও তরুণ সমাজ (কু. বো. ২৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা; সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ, টঙ্গী, গাজীপুর।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.দেশগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা (সি. বো. ২৫; দি. বো. ১৭; য. বো. ১৫; রা. বো. ১৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ঢাকা; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা।)

দেশগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা (সি. বো. ২৫; দি. বো. ১৭; য. বো. ১৫; রা. বো. ১৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ঢাকা; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সময়ানুবর্তিতা (বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, পাহাড়কাঞ্চনপুর, সখিপুর, টাঙ্গাইল)

সময়ানুবর্তিতা (বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, পাহাড়কাঞ্চনপুর, সখিপুর, টাঙ্গাইল)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ ( রা. বো. ২৫; কু. বো. ২৪; য. বো. ২৪; ঘ. বো. ১৯; চ. বো. ১৯; সি. বো. ১৯; রা. বো. ১৭; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ )

তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ ( রা. বো. ২৫; কু. বো. ২৪; য. বো. ২৪; ঘ. বো. ১৯; চ. বো. ১৯; সি. বো. ১৯; রা. বো. ১৭; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ )

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বৈষম্যবিরোধী ছাত্রগণআন্দোলন (বি. বো. ২৫)

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রগণআন্দোলন (বি. বো. ২৫)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার (সি. বো. ১৫, ১৩, ০৯, ০৪; রা. বো. ১৪, ০৯, ০৬, ০৩; ঢা. বো. ১০, ০৯, ০২; চ. বো. ১৬, ১৫, ০৬, ০৩, ০২; দি. বো. ১৫, ০৯; ঢাকা কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ; সিলেট ক্যাডেট কলেজ।)

পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার (সি. বো. ১৫, ১৩, ০৯, ০৪; রা. বো. ১৪, ০৯, ০৬, ০৩; ঢা. বো. ১০, ০৯, ০২; চ. বো. ১৬, ১৫, ০৬, ০৩, ০২; দি. বো. ১৫, ০৯; ঢাকা কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ; সিলেট ক্যাডেট কলেজ।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.একুশের চেতনা (ঢা. বো. ২৫; রা. বো. ২৫; ব. বো. ২৫; দি. বো. ১৫, ১১; সি. বো. ১১, ০৫; চ. বো. ১১, ০৯; সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; কুমিল্লা সরকারি কলেজ।)

একুশের চেতনা (ঢা. বো. ২৫; রা. বো. ২৫; ব. বো. ২৫; দি. বো. ১৫, ১১; সি. বো. ১১, ০৫; চ. বো. ১১, ০৯; সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; কুমিল্লা সরকারি কলেজ।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প (ঢা. বো. ২৫; কু. বো. ২৫; সি. বো. ২৫; রা. বো. ২৫, ১৭; চ. বো. ২৫, ১৬, ১১, ০৬, ০৩; য. বো. ২৫, ২৩; দি বো. ২৫, ২৩, ১৬; ব. বো. ২৫, ২৩, ১৫, ১৩, ১১; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ, উত্তরা সরকারি কলেজ, ঢাকা; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা)

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প (ঢা. বো. ২৫; কু. বো. ২৫; সি. বো. ২৫; রা. বো. ২৫, ১৭; চ. বো. ২৫, ১৬, ১১, ০৬, ০৩; য. বো. ২৫, ২৩; দি বো. ২৫, ২৩, ১৬; ব. বো. ২৫, ২৩, ১৫, ১৩, ১১; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ, উত্তরা সরকারি কলেজ, ঢাকা; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা (মি. বো. ২৫; দি.বো. ১৪; নটর ডেম কলেজ, ঢাকা; ঢাকা কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা।)

বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা (মি. বো. ২৫; দি.বো. ১৪; নটর ডেম কলেজ, ঢাকা; ঢাকা কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা; ঢাকা সিটি কলেজ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ, নরসিংদী।)

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা; ঢাকা সিটি কলেজ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ, নরসিংদী।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্বদেশপ্রেম (মি. বো. ২৫; রা. রো. ১৭; দি. বো. ১৯, ১৭; ব. বো. ১৭; দি. বো. ২৪, ১৩, ০৯; কু. বো. ২৪, ১০; সি. বো. ১৯, ১৪; চ. বো. ১৯, ১৬; য. বো. ২৫, ২৪, ১৬, ১২; ঢাকা কলেজ; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা; রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, ঢাকা।)

স্বদেশপ্রেম (মি. বো. ২৫; রা. রো. ১৭; দি. বো. ১৯, ১৭; ব. বো. ১৭; দি. বো. ২৪, ১৩, ০৯; কু. বো. ২৪, ১০; সি. বো. ১৯, ১৪; চ. বো. ১৯, ১৬; য. বো. ২৫, ২৪, ১৬, ১২; ঢাকা কলেজ; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা; রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, ঢাকা।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চি. বো. ২৩)মাদকাসক্তি ও তরুণ সমাজ (কু. বো. ২৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এদেশগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা (সি. বো. ২৫; দি. বো. ১৭; য. বো. ১৫; রা. বো. ১৩; ঢাকা সময়ানুবর্তিতা (বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, পাহাড়কাঞ্চনপুর, সখিপুর, টাঙ্গাইতথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ ( রা. বো. ২৫; কু. বো. ২৪; য. বো. ২৪; ঘ. বো. ১৯; চ. বো. বৈষম্যবিরোধী ছাত্রগণআন্দোলন (বি. বো. ২৫)পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার (সি. বো. ১৫, ১৩, ০৯, ০৪; রা. বো. ১৪, ০৯, ০৬, ০৩; ঢা. বএকুশের চেতনা (ঢা. বো. ২৫; রা. বো. ২৫; ব. বো. ২৫; দি. বো. ১৫, ১১; সি. বো. ১১, ০৫;বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প (ঢা. বো. ২৫; কু. বো. ২৫; সি. বো. ২৫; রা. বো. ২৫, ১৭; চ. ববাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা (মি. বো. ২৫; দি.বো. ১৪; নটর ডেম কলেজ, ঢমুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লাস্বদেশপ্রেম (মি. বো. ২৫; রা. রো. ১৭; দি. বো. ১৯, ১৭; ব. বো. ১৭; দি. বো. ২৪, ১৩,

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।