মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা; ঢাকা সিটি কলেজ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ, নরসিংদী।)
উত্তর: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূমিকা: বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস পরিক্রমায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিজয় অর্জন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংস বর্বরতার মুখে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ শুরু হয় বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম। নয়মাসের দীর্ঘ এ সংগ্রামের সফল পরিণতি ও পূর্ণতা আসে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। এ দিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করলে মুক্তিযুদ্ধের অবসান হয়। পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নেয় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ, যার নাম বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি: ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ব্রিটিশদের শাসন থেকে মুক্তিলাভের পরপরই দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের অংশ, নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান। দীর্ঘদিনের ইংরেজ শোষণ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতার সুবাতাস পাবে- তা ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের একান্ত প্রত্যাশা। কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হলেও এ অঞ্চলের মানুষের শোষণমুক্তি ঘটেনি। কারণ পাকিস্তানি শাসকদের একরোখা শাসন-নীতির ফলে সবদিক থেকে বাংলার মানুষ ছিল শোষিত-বঞ্চিত-অত্যাচারিত। সেইসঙ্গে তারা এ দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিকেও স্বীকৃতি দেয়নি। উপরন্তু উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। এ দেশবাসী বুকের রক্ত দিয়ে শাসকগোষ্ঠীর সে অপচেষ্টা প্রতিরোধ করে। কিন্তু তাদের নানামুখী ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। পাকিস্তানিদের সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষ জাগরুক ছিল বলেই ক্রমান্বয়ে একটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। অবশেষে এই প্রতিরোধই স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পথ প্রশস্ত করে। স্বাধীনতা-আন্দোলন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা নয়। ১৯৪৭-এর পর থেকে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক ইত্যাদি সব দিক থেকে পাকিস্তানি শোষকশ্রেণির নানামুখী ষড়যন্ত্র এবং শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে একের পর এক আন্দোলনের সিঁড়ি ডিঙিয়ে চূড়ান্ত ফসল হিসেবে এসেছে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়। পাকিস্তানিদের প্রকৃত চেহারা উপলব্ধি করে মানুষের মনে ধীরে ধীরে দানা বেঁধে ওঠে স্বাধীনতার স্বপ্ন। '৫২-এর ভাষা আন্দোলন, '৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, '৬২-এর সামরিক আইন ও শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী আন্দোলন, '৬৬-এর ছয় দফার আন্দোলন, '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানেরই চূড়ান্ত পরিণতি '৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রাম। স্বাধীনতা-সংগ্রামের প্রস্তুতি: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বাঙালির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। বরং তারা পূর্ব পাকিস্তানের উপর আক্রমণ চালানোর গোপন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে লাখো জনতার উপস্থিতিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ - তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক এক ভাষণ দেন। সে ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন, 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' এরই মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত হতে বলেন। অপারেশন সার্চলাইট ও স্বাধীনতা ঘোষণা: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায় নিরস্ত্র বাঙালির ওপর। 'অপারেশন সার্চলাইট' নামক এ সামরিক অভিযানে তারা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায় ইপিআর সদর দপ্তর, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। পূর্ব পরিকল্পিত এ বর্বর গণহত্যা 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পরিচিত। এ ঘটনার পরপরই অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন' এবং তা সারা দেশে প্রচারের নির্দেশ দেন। এরপর হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন তিনি। বঙ্গবন্ধু স্বাক্ষরিত ঘোষণা বার্তাটি চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে তৎকালীন ইপিআর-এর ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে প্রেরণ করা হয়। নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে ঘোষণা বার্তাটি চট্টগ্রাম শহরের অদূরে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ অভিযানের অংশ হিসেবে বেতার কেন্দ্রটির নামকরণ 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র' করা হয়। এই কেন্দ্র থেকেই ২৬শে মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। সহযোগী নেতৃবৃন্দ ও বেতারকেন্দ্রের শব্দসৈনিকদের পরামর্শে ২৭শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে পুনরায় স্বাধীনতা ঘোষণা করেন তিনি। এ ঘোষণার সংবাদ ক্রমান্বয়ে বিশ্ব গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে স্বতঃস্ফূর্ত মুক্তির সংগ্রাম। অস্থায়ী সরকার গঠন: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী। এ সময় গেরিলা ও সম্মুখযুদ্ধ চালানোর সুবিধার্থে জেনারেল এম এ জি ওসমানীর তত্ত্বাবধানে সমগ্র দেশকে এগারোটি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। স্বাধীন বাংলা বেতার: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের এবং অবরুদ্ধ এলাকার লোকজনদের মনোবল অক্ষুণ্ণ রাখার ক্ষেত্রে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নীতি-নির্ধারণী ভাষণসহ জনগণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নির্দেশনাবলি প্রচারিত হয়। যে সকল ব্যক্তির অক্লান্ত পরিশ্রমে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল তাদের মধ্যে জনাব এম এ হান্নান, এম এন এ জিল্লুর রহমান, এম এন এ শওকত ওসমান, ড. আনিসুজ্জামান, সিকানদার আবু জাফর, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, এম আর আখতার মুকুল অন্যতম। বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনী: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সাধারণ জনগণকে নিয়ে গঠিত হয়েছিল মুক্তিবাহিনী। মুক্তিপাগল এ দেশের মানুষ সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য মুক্তিবাহিনী গঠন করে। এ দেশের ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, ইপিআর, পুলিশ, সেনাবাহিনীর বাঙালি সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যেসকল বাঙালি সৈন্য ছিল তাঁরা এবং আধা-সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্যরাও তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। এছাড়া পাকিস্তান বিমানবাহিনী ত্যাগ করে প্রায় ৩৫ জন অফিসার ও ক্যাডেট এবং প্রায় ৫০০ জন বিমানসেনা মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। এবং তাঁদের মধ্যে একটি স্বাধীন বিমানবাহিনী গঠনের চেতনা দেখা দেয়। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ভারত থেকে প্রাপ্ত 'পদ্মা' ও 'পলাশ' নামের দুটি ছোটো গানবোট এবং ৪৯ জন নাবিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সম্মুখযুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধের পাশাপাশি নির্ভীক ডুবুরিদল সমুদ্র ও নদীবন্দরসমূহ বিধ্বংসী আক্রমণ পরিচালনা করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের নয় মাস: স্বাধীনতা যুদ্ধের নয় মাসে এ দেশের মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, অত্যাচারিত হয়েছে, মা-বোনেরা সম্ভ্রম হারিয়েছেন। জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। হানাদার পাকিস্তানিদের দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও তথাকথিত শান্তিবাহিনীর সদস্য হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানিদের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এ হিংস্রতা, এ বর্বরতা, এ অন্যায় আগ্রাসন মুখ বুঝে সহ্য করেনি বাংলার মানুষ। যার যা ছিল তাই নিয়েই প্রতিরোধ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিনিয়ে এনেছিল কাঙ্ক্ষিত বিজয়। মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা: ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে বাংলার অগুনতি নিরীহ, অসহায় মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ট্যাংক, কামানসহ অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র নিয়ে বাঙালি নিধনযজ্ঞে মেতে উঠেছিল তারা। বাংলার সবুজ-শ্যামল মাটি সিক্ত হয়েছিল নিরস্ত্র বাঙালির লাল রক্তে, নদীর স্বচ্ছ জলধারায় মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল রক্তধারা। যত্রতত্র অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে ধ্বংসপুরীতে পরিণত করতে চেয়েছে তারা এ জনপদকে। এ যুদ্ধে এক কোটি নিরপরাধ মানুষ ঘরছাড়া, হয়েছে, ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহিদ হয়েছে, দুই লক্ষ বাঙালি নারী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড: পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ও নীলনকশা অনুযায়ী পাকিস্তানি বাহিনী আলবদর, রাজাকারদের সহযোগিতায় ১৪ই ডিসেম্বর বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, সাংবাদিক, আইনজীবী, শিল্পী, রাজনৈতিক চিন্তাবিদসহ অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। শত্রুর আত্মসমর্পণ: দীর্ঘ নয়মাসের যুদ্ধে পাকিস্তানিদের অবস্থান দুর্বল হয়ে আসে। পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগব্যবস্থা ছিন্ন হয়ে যায়। আর কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দান, বর্তমান সোহরাওয়াদী উদ্যানে যৌথ কমান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরা এবং পাকিস্তানের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ.এ.কে নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। এর মধ্য দিয়েই ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা: বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ থেকে যে চেতনা লাভ করেছে তা জাতির সমস্ত আন্দোলনে প্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। অধিকার আদায়ের জন্য আত্মসচেতন হওয়ার প্রেরণা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ। সে জাগ্রত চেতনা ছড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের মানুষের পরবর্তী কর্মকান্ডে। ব্যক্তিস্বাধীনতা, নারীমুক্তি আন্দোলন, নারীশিক্ষা, গণশিক্ষা, সংবাদপত্রের ব্যাপক বিকাশ সর্বোপরি গণতান্ত্রিক অধিকার চেতনা ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে সমাজে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের সাহিত্যে এক নবতর সাহিত্যধারার জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে সাহিত্যচর্চা আজকে যতটা ব্যাপ্তি পেয়েছে তার পিছনে বড়ো প্রেরণা ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়েছে কবিতা, সংগীত এবং নাটকের মধ্য দিয়ে। উপসংহার: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসের প্রতিটি ক্ষণ ছিল চরম আতঙ্ক আর অপরিসীম আশায় উদ্বেলিত। বাঙালি জাতি উদ্বুদ্ধ হয়েছিল প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস আর গভীর দেশপ্রেমের চেতনায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল মিথ্যার বিরুদ্ধে শাশ্বত সত্যের এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের সংগ্রামের মূর্ত চিত্র। বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের অভ্যুদয় তাই এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
HSC Bangla 2nd Paper প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা · সৃজনশীল
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা; ঢাকা সিটি কলেজ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ, নরসিংদী।)
উত্তর