শেয়ারFacebookWhatsApp

দেশগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা (সি. বো. ২৫; দি. বো. ১৭; য. বো. ১৫; রা. বো. ১৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ঢাকা; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা।)

উত্তর: দেশগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা ভূমিকা: ছাত্রজীবন মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের শস্যক্ষেত্রস্বরূপ। ছাত্রজীবনই হলো মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশের প্রস্তুতিপর্ব। এরই উপর নির্ভর করে তার পরবর্তী জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতা। তাই ছাত্রজীবনে তরুণদের নানা দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের দীক্ষা নিতে হয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি তাদের নিতে হয় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণের নানা ব্রত। পরিবারের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নানা দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অংশ নিতে হয় নানা সামাজিক কর্তব্য সম্পাদনে। দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে ছাত্রজীবনে সমাজ উন্নয়নের দীক্ষা গ্রহণ করতে হয় তাদের। ছাত্রদের দায়িত্ব ও কর্তব্য: অধ্যয়ন বা লেখাপড়া করাই হলো ছাত্রজীবনের প্রধান কর্তব্য। সমস্ত রকমের ভোগবিলাস ত্যাগ করে একাগ্রতার সঙ্গে নানা বিষয়ে জ্ঞানার্জন করে কর্মজীবনের জন্য উপযুক্ত হওয়াই এ সময়ের অন্যতম কাজ। ছাত্রজীবনে শুধু লেখাপড়া নয়, এর সঙ্গে সঙ্গে অনেক কর্তব্য করতে হয়। যেমন: মাতাপিতার ও গুরুজনের আদেশ মান্য করা, তাদের কথামতো চলা ও তাদের সেবা-যত্ন করা, দরিদ্র ও অসহায়ের সাহায্যে এগিয়ে আসা, সর্বোপরি সততা ও শৃঙ্খলাবোধের চর্চা করা। কথায় বলে- 'স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।' শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যরক্ষার প্রতি নজর দিতে হয়। স্বাস্থ্যরক্ষার বিধি বা নিয়মগুলো মেনে চলতে হয়। তার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্য খাওয়া, খেলাধুলা, ব্যায়াম ইত্যাদি করা উচিত। অনেক সময় অনেক ছাত্র নিজের হাতে কাজ করাকে লজ্জাকর মনে করে। তাদের এ ধারণা ভুল। লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্য কোনো কাজ করাকে লজ্জাকর মনে করতে নেই। কাজ কাজই- তা ছোটো হোক আর বড়োই হোক। ছাত্রজীবনে চরিত্র গঠন: মানবজীবনের প্রধান সম্পদ হলো চরিত্র। আর এ চরিত্র গঠন করতে হয় ছাত্রজীবনেই। কথায় বলে 'চরিত্রহীন মানুষ পশুর সমান।' শিক্ষিত হলে কী হবে, সৎ চরিত্রের অধিকারী না হলে জীবন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। প্রবাদ আছে- 'দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য।' তাই ছাত্রজীবনেই সৎচরিত্র তথা সাধুতা, সত্যবাদিতা, আত্মসংযম, দেশপ্রেম, ধৈর্য প্রভৃতি গুণগুলো আয়ত্ত করে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য দেশের সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সচেষ্ট হতে হবে। সর্বদা সত্য কথা বলা, সৎসঙ্গে চলা ও ভালো বই পড়ার মাধ্যমে এটা সম্ভব হতে পারে। ছাত্রজীবনে শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ: সৌজন্যে ও শিষ্টাচারের ছোঁয়াতেই ছাত্র হয় ভদ্র, নতুন প্রাণসম্পদে হয় গৌরবান্বিত। ছাত্রজীবনে গুরুজনদের যে শ্রদ্ধা করতে শিখল না, যার উদ্ধত ব্যবহারে শিক্ষক বিরক্ত, যার অমার্জিত আচরণে বন্ধুরা ক্ষুব্ধ-বেদনাহত, পরবর্তী জীবনেও তার চরিত্রে ' একই আচরণের পুনরাবৃত্তি ঘটে। তখন সে হয় অশুভ শক্তি, অকল্যাণের মূর্ত প্রতীক। সমাজের বুকে সে ছড়িয়ে দিয়ে যায় অমৃতের বদলে বিষ। ছাত্রজীবনই মানুষের সুপ্ত সুকুমারবৃত্তি লালনের শুভক্ষণ। শিষ্টাচার, সৌজন্যবোধ তো তার মনুষ্যত্ব অর্জনেরই সোপান। এরই মধ্যে আছে নিজেকে সুন্দর ও সার্থকতায় পরিপূর্ণ করে তোলার মহাশক্তি। শিষ্টাচার ও সৌজন্য প্রকাশের জন্য ছাত্রদের কিছু হারাতে হয় না, কোনো অর্থ ব্যয় করতে হয় না, বরং এক মহৎ অঙ্গীকারে তার সমৃদ্ধ জীবন বিকাশের পথ প্রশস্ত হয়। বিনয়ী, ভদ্র ছাত্র শুধু শিক্ষকের স্নেহ-ই কেড়ে নেয় না, সে পায় শিক্ষকের আশীর্বাদ, পায় তার সাহায্য। সৌজন্য ও শিষ্টাচারের অভাব ছাত্রকে অবিনীত, স্বার্থপর ও নিষ্ঠুর করে। এ অভাবই তাকে ঠেলে দেয় অন্যায়, আর অসত্যের চোরা-অন্ধকারে। সে অন্ধকার শুধু ব্যক্তিকেই আচ্ছন্ন করে না, গ্রাস করে গোটা সমাজকে। ছাত্রজীবনে সামাজিক নেতৃত্ব: সমাজের যেকোনো কাজে ছাত্রসমাজ নেতৃত্ব দিতে পারে। মহামারি প্রতিরোধ, বন্যার সময় জনসেবায় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে শিক্ষার্থীরা শুধু অংশগ্রহণ করেই নয়, নেতৃত্ব দিয়েও এসব কাজকর্ম করতে পারে। স্বাধীন বাংলাদেশে সমাজসেবায় ছাত্রদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বন্যার্তদের সেবার জন্য ছাত্ররা কেবল কায়িক পরিশ্রমই করে না, তারা চাঁদা সংগ্রহ করে তহবিল গঠন করে এবং কখনো কখনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও ব্যবস্থা করে। এককথায় ছাত্রজীবনে সমাজসেবার দায়িত্ব ও কর্তব্য অনস্বীকার্য। ছাত্রজীবনই শৃঙ্খলানুশীলনের উপযুক্ত সময়: ছাত্রজীবনই শৃঙ্খলাবোধ ও নিয়মানুবর্তিতা অনুশীলনের উপযুক্ত সময়। এ সময় সজীব-কোমল মানবভূমিতে শৃঙ্খলাবোধ ও নিয়মানুবর্তিতার বীজ বপন করলে উত্তরকালে তাতে অমৃত ফলে। শৃঙ্খলানুশীলন তাই সর্বকালের সর্বদেশের ছাত্রদের অবশ্য আচরণীয় বিধি। বর্তমানে ছাত্রসমাজের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণ: সাম্প্রতিককালে ছাত্রসমাজের উচ্ছৃঙ্খলতায় সকলেই বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। বলাবাহুল্য, সে উদ্বেগ অমূলক নয়। তাদের উচ্ছৃঙ্খলতার কলঙ্কিত স্বাক্ষর পড়ে পরীক্ষা হলে, বাসে, সমাজজীবনের অলিতে-গলিতে। ছাত্রসমাজ অগ্রযাত্রীর দল। তারা স্বভাবতই অগ্রসর হতে চায়, চায় কর্মব্যস্ততা। কিন্তু আজ তাদের সামনে অগ্রসর হওয়ার সকল পথ রুদ্ধ। বেকারত্ব তাদের মানসক্ষেত্রকে স্থূল রুচির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দেশব্যাপী আশাহীনতা তাদের নিক্ষেপ করেছে এক গভীর নৈরাশ্যের অন্ধকারে। তাছাড়া কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ছাত্রসমাজকে উচ্ছৃঙ্খলতার পথে চালিত করে। ছাত্রসমাজে যদি শৃঙ্খলাবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তবে তাদের উচ্ছৃঙ্খলতার মূল কারণগুলো বিলোপ সাধন করতে হবে। কেবল ছাত্রসমাজকে তিরস্কার করে সমস্যার সমাধান হবে না। উপসংহার: বর্তমানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল রাষ্ট্র ছাত্রসমাজের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক। ছাত্রসমাজের এখন মনে রাখতে হবে, ছাত্রজীবনই হলো দায়িত্ববোধের বিকাশের কাল, সামাজিক কর্তব্যবোধে দীক্ষিত হওয়ার সময়। বর্তমানে নৈরাশ্যের অন্ধকার কিংবা রুচি-বিকৃতির কুয়াশা অপসারিত হয়ে শীঘ্রই নতুন আশা ও আদর্শের সূর্যোদয় হবে। আসবে নতুন দিন, নতুন জীবন। আমাদের ছাত্রসমাজ তাকে বরণ করার জন্য যেন প্রস্তুত থাকে।

HSC Bangla 2nd Paper প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা · সৃজনশীল

দেশগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা (সি. বো. ২৫; দি. বো. ১৭; য. বো. ১৫; রা. বো. ১৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ঢাকা; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা।)

উত্তর

দেশগঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা ভূমিকা: ছাত্রজীবন মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের শস্যক্ষেত্রস্বরূপ। ছাত্রজীবনই হলো মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশের প্রস্তুতিপর্ব। এরই উপর নির্ভর করে তার পরবর্তী জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতা। তাই ছাত্রজীবনে তরুণদের নানা দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের দীক্ষা নিতে হয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি তাদের নিতে হয় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণের নানা ব্রত। পরিবারের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নানা দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অংশ নিতে হয় নানা সামাজিক কর্তব্য সম্পাদনে। দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে ছাত্রজীবনে সমাজ উন্নয়নের দীক্ষা গ্রহণ করতে হয় তাদের। ছাত্রদের দায়িত্ব ও কর্তব্য: অধ্যয়ন বা লেখাপড়া করাই হলো ছাত্রজীবনের প্রধান কর্তব্য। সমস্ত রকমের ভোগবিলাস ত্যাগ করে একাগ্রতার সঙ্গে নানা বিষয়ে জ্ঞানার্জন করে কর্মজীবনের জন্য উপযুক্ত হওয়াই এ সময়ের অন্যতম কাজ। ছাত্রজীবনে শুধু লেখাপড়া নয়, এর সঙ্গে সঙ্গে অনেক কর্তব্য করতে হয়। যেমন: মাতাপিতার ও গুরুজনের আদেশ মান্য করা, তাদের কথামতো চলা ও তাদের সেবা-যত্ন করা, দরিদ্র ও অসহায়ের সাহায্যে এগিয়ে আসা, সর্বোপরি সততা ও শৃঙ্খলাবোধের চর্চা করা। কথায় বলে- 'স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।' শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যরক্ষার প্রতি নজর দিতে হয়। স্বাস্থ্যরক্ষার বিধি বা নিয়মগুলো মেনে চলতে হয়। তার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্য খাওয়া, খেলাধুলা, ব্যায়াম ইত্যাদি করা উচিত। অনেক সময় অনেক ছাত্র নিজের হাতে কাজ করাকে লজ্জাকর মনে করে। তাদের এ ধারণা ভুল। লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্য কোনো কাজ করাকে লজ্জাকর মনে করতে নেই। কাজ কাজই- তা ছোটো হোক আর বড়োই হোক। ছাত্রজীবনে চরিত্র গঠন: মানবজীবনের প্রধান সম্পদ হলো চরিত্র। আর এ চরিত্র গঠন করতে হয় ছাত্রজীবনেই। কথায় বলে 'চরিত্রহীন মানুষ পশুর সমান।' শিক্ষিত হলে কী হবে, সৎ চরিত্রের অধিকারী না হলে জীবন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। প্রবাদ আছে- 'দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য।' তাই ছাত্রজীবনেই সৎচরিত্র তথা সাধুতা, সত্যবাদিতা, আত্মসংযম, দেশপ্রেম, ধৈর্য প্রভৃতি গুণগুলো আয়ত্ত করে ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য দেশের সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সচেষ্ট হতে হবে। সর্বদা সত্য কথা বলা, সৎসঙ্গে চলা ও ভালো বই পড়ার মাধ্যমে এটা সম্ভব হতে পারে। ছাত্রজীবনে শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ: সৌজন্যে ও শিষ্টাচারের ছোঁয়াতেই ছাত্র হয় ভদ্র, নতুন প্রাণসম্পদে হয় গৌরবান্বিত। ছাত্রজীবনে গুরুজনদের যে শ্রদ্ধা করতে শিখল না, যার উদ্ধত ব্যবহারে শিক্ষক বিরক্ত, যার অমার্জিত আচরণে বন্ধুরা ক্ষুব্ধ-বেদনাহত, পরবর্তী জীবনেও তার চরিত্রে ' একই আচরণের পুনরাবৃত্তি ঘটে। তখন সে হয় অশুভ শক্তি, অকল্যাণের মূর্ত প্রতীক। সমাজের বুকে সে ছড়িয়ে দিয়ে যায় অমৃতের বদলে বিষ। ছাত্রজীবনই মানুষের সুপ্ত সুকুমারবৃত্তি লালনের শুভক্ষণ। শিষ্টাচার, সৌজন্যবোধ তো তার মনুষ্যত্ব অর্জনেরই সোপান। এরই মধ্যে আছে নিজেকে সুন্দর ও সার্থকতায় পরিপূর্ণ করে তোলার মহাশক্তি। শিষ্টাচার ও সৌজন্য প্রকাশের জন্য ছাত্রদের কিছু হারাতে হয় না, কোনো অর্থ ব্যয় করতে হয় না, বরং এক মহৎ অঙ্গীকারে তার সমৃদ্ধ জীবন বিকাশের পথ প্রশস্ত হয়। বিনয়ী, ভদ্র ছাত্র শুধু শিক্ষকের স্নেহ-ই কেড়ে নেয় না, সে পায় শিক্ষকের আশীর্বাদ, পায় তার সাহায্য। সৌজন্য ও শিষ্টাচারের অভাব ছাত্রকে অবিনীত, স্বার্থপর ও নিষ্ঠুর করে। এ অভাবই তাকে ঠেলে দেয় অন্যায়, আর অসত্যের চোরা-অন্ধকারে। সে অন্ধকার শুধু ব্যক্তিকেই আচ্ছন্ন করে না, গ্রাস করে গোটা সমাজকে। ছাত্রজীবনে সামাজিক নেতৃত্ব: সমাজের যেকোনো কাজে ছাত্রসমাজ নেতৃত্ব দিতে পারে। মহামারি প্রতিরোধ, বন্যার সময় জনসেবায় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে শিক্ষার্থীরা শুধু অংশগ্রহণ করেই নয়, নেতৃত্ব দিয়েও এসব কাজকর্ম করতে পারে। স্বাধীন বাংলাদেশে সমাজসেবায় ছাত্রদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বন্যার্তদের সেবার জন্য ছাত্ররা কেবল কায়িক পরিশ্রমই করে না, তারা চাঁদা সংগ্রহ করে তহবিল গঠন করে এবং কখনো কখনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও ব্যবস্থা করে। এককথায় ছাত্রজীবনে সমাজসেবার দায়িত্ব ও কর্তব্য অনস্বীকার্য। ছাত্রজীবনই শৃঙ্খলানুশীলনের উপযুক্ত সময়: ছাত্রজীবনই শৃঙ্খলাবোধ ও নিয়মানুবর্তিতা অনুশীলনের উপযুক্ত সময়। এ সময় সজীব-কোমল মানবভূমিতে শৃঙ্খলাবোধ ও নিয়মানুবর্তিতার বীজ বপন করলে উত্তরকালে তাতে অমৃত ফলে। শৃঙ্খলানুশীলন তাই সর্বকালের সর্বদেশের ছাত্রদের অবশ্য আচরণীয় বিধি। বর্তমানে ছাত্রসমাজের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণ: সাম্প্রতিককালে ছাত্রসমাজের উচ্ছৃঙ্খলতায় সকলেই বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। বলাবাহুল্য, সে উদ্বেগ অমূলক নয়। তাদের উচ্ছৃঙ্খলতার কলঙ্কিত স্বাক্ষর পড়ে পরীক্ষা হলে, বাসে, সমাজজীবনের অলিতে-গলিতে। ছাত্রসমাজ অগ্রযাত্রীর দল। তারা স্বভাবতই অগ্রসর হতে চায়, চায় কর্মব্যস্ততা। কিন্তু আজ তাদের সামনে অগ্রসর হওয়ার সকল পথ রুদ্ধ। বেকারত্ব তাদের মানসক্ষেত্রকে স্থূল রুচির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দেশব্যাপী আশাহীনতা তাদের নিক্ষেপ করেছে এক গভীর নৈরাশ্যের অন্ধকারে। তাছাড়া কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ছাত্রসমাজকে উচ্ছৃঙ্খলতার পথে চালিত করে। ছাত্রসমাজে যদি শৃঙ্খলাবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তবে তাদের উচ্ছৃঙ্খলতার মূল কারণগুলো বিলোপ সাধন করতে হবে। কেবল ছাত্রসমাজকে তিরস্কার করে সমস্যার সমাধান হবে না। উপসংহার: বর্তমানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল রাষ্ট্র ছাত্রসমাজের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক। ছাত্রসমাজের এখন মনে রাখতে হবে, ছাত্রজীবনই হলো দায়িত্ববোধের বিকাশের কাল, সামাজিক কর্তব্যবোধে দীক্ষিত হওয়ার সময়। বর্তমানে নৈরাশ্যের অন্ধকার কিংবা রুচি-বিকৃতির কুয়াশা অপসারিত হয়ে শীঘ্রই নতুন আশা ও আদর্শের সূর্যোদয় হবে। আসবে নতুন দিন, নতুন জীবন। আমাদের ছাত্রসমাজ তাকে বরণ করার জন্য যেন প্রস্তুত থাকে।
HSCBangla 2nd Paperপ্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান (বি. বো. ২৩; ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।)

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান (বি. বো. ২৩; ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চি. বো. ২৩)

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চি. বো. ২৩)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মাদকাসক্তি ও তরুণ সমাজ (কু. বো. ২৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা; সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ, টঙ্গী, গাজীপুর।)

মাদকাসক্তি ও তরুণ সমাজ (কু. বো. ২৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা; সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ, টঙ্গী, গাজীপুর।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সময়ানুবর্তিতা (বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, পাহাড়কাঞ্চনপুর, সখিপুর, টাঙ্গাইল)

সময়ানুবর্তিতা (বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, পাহাড়কাঞ্চনপুর, সখিপুর, টাঙ্গাইল)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ ( রা. বো. ২৫; কু. বো. ২৪; য. বো. ২৪; ঘ. বো. ১৯; চ. বো. ১৯; সি. বো. ১৯; রা. বো. ১৭; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ )

তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ ( রা. বো. ২৫; কু. বো. ২৪; য. বো. ২৪; ঘ. বো. ১৯; চ. বো. ১৯; সি. বো. ১৯; রা. বো. ১৭; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ )

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বৈষম্যবিরোধী ছাত্রগণআন্দোলন (বি. বো. ২৫)

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রগণআন্দোলন (বি. বো. ২৫)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার (সি. বো. ১৫, ১৩, ০৯, ০৪; রা. বো. ১৪, ০৯, ০৬, ০৩; ঢা. বো. ১০, ০৯, ০২; চ. বো. ১৬, ১৫, ০৬, ০৩, ০২; দি. বো. ১৫, ০৯; ঢাকা কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ; সিলেট ক্যাডেট কলেজ।)

পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার (সি. বো. ১৫, ১৩, ০৯, ০৪; রা. বো. ১৪, ০৯, ০৬, ০৩; ঢা. বো. ১০, ০৯, ০২; চ. বো. ১৬, ১৫, ০৬, ০৩, ০২; দি. বো. ১৫, ০৯; ঢাকা কলেজ; ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ; সিলেট ক্যাডেট কলেজ।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.একুশের চেতনা (ঢা. বো. ২৫; রা. বো. ২৫; ব. বো. ২৫; দি. বো. ১৫, ১১; সি. বো. ১১, ০৫; চ. বো. ১১, ০৯; সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; কুমিল্লা সরকারি কলেজ।)

একুশের চেতনা (ঢা. বো. ২৫; রা. বো. ২৫; ব. বো. ২৫; দি. বো. ১৫, ১১; সি. বো. ১১, ০৫; চ. বো. ১১, ০৯; সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; কুমিল্লা সরকারি কলেজ।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প (ঢা. বো. ২৫; কু. বো. ২৫; সি. বো. ২৫; রা. বো. ২৫, ১৭; চ. বো. ২৫, ১৬, ১১, ০৬, ০৩; য. বো. ২৫, ২৩; দি বো. ২৫, ২৩, ১৬; ব. বো. ২৫, ২৩, ১৫, ১৩, ১১; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ, উত্তরা সরকারি কলেজ, ঢাকা; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা)

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প (ঢা. বো. ২৫; কু. বো. ২৫; সি. বো. ২৫; রা. বো. ২৫, ১৭; চ. বো. ২৫, ১৬, ১১, ০৬, ০৩; য. বো. ২৫, ২৩; দি বো. ২৫, ২৩, ১৬; ব. বো. ২৫, ২৩, ১৫, ১৩, ১১; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ, উত্তরা সরকারি কলেজ, ঢাকা; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা (মি. বো. ২৫; দি.বো. ১৪; নটর ডেম কলেজ, ঢাকা; ঢাকা কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা।)

বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা (মি. বো. ২৫; দি.বো. ১৪; নটর ডেম কলেজ, ঢাকা; ঢাকা কলেজ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা; ঢাকা সিটি কলেজ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ, নরসিংদী।)

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ঢাকা; ঢাকা সিটি কলেজ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ, নরসিংদী।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.স্বদেশপ্রেম (মি. বো. ২৫; রা. রো. ১৭; দি. বো. ১৯, ১৭; ব. বো. ১৭; দি. বো. ২৪, ১৩, ০৯; কু. বো. ২৪, ১০; সি. বো. ১৯, ১৪; চ. বো. ১৯, ১৬; য. বো. ২৫, ২৪, ১৬, ১২; ঢাকা কলেজ; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা; রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, ঢাকা।)

স্বদেশপ্রেম (মি. বো. ২৫; রা. রো. ১৭; দি. বো. ১৯, ১৭; ব. বো. ১৭; দি. বো. ২৪, ১৩, ০৯; কু. বো. ২৪, ১০; সি. বো. ১৯, ১৪; চ. বো. ১৯, ১৬; য. বো. ২৫, ২৪, ১৬, ১২; ঢাকা কলেজ; আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা; রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা; মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, ঢাকা; বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, ঢাকা।)

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান (বি. বো. ২৩; ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল এন্ডদৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (চি. বো. ২৩)মাদকাসক্তি ও তরুণ সমাজ (কু. বো. ২৩; ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ; ভিকারুননিসা নূন স্কুল এসময়ানুবর্তিতা (বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ, পাহাড়কাঞ্চনপুর, সখিপুর, টাঙ্গাইতথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ ( রা. বো. ২৫; কু. বো. ২৪; য. বো. ২৪; ঘ. বো. ১৯; চ. বো. বৈষম্যবিরোধী ছাত্রগণআন্দোলন (বি. বো. ২৫)পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার (সি. বো. ১৫, ১৩, ০৯, ০৪; রা. বো. ১৪, ০৯, ০৬, ০৩; ঢা. বএকুশের চেতনা (ঢা. বো. ২৫; রা. বো. ২৫; ব. বো. ২৫; দি. বো. ১৫, ১১; সি. বো. ১১, ০৫;বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প (ঢা. বো. ২৫; কু. বো. ২৫; সি. বো. ২৫; রা. বো. ২৫, ১৭; চ. ববাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সমস্যা ও সম্ভাবনা (মি. বো. ২৫; দি.বো. ১৪; নটর ডেম কলেজ, ঢমুক্তিযুদ্ধের চেতনা (রা. বো. ১৭; কু. বো. ২৫; চ. বো. ২৪; ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লাস্বদেশপ্রেম (মি. বো. ২৫; রা. রো. ১৭; দি. বো. ১৯, ১৭; ব. বো. ১৭; দি. বো. ২৪, ১৩,

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।