“বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সঙ্গে উক্ত সংস্থাটির সম্পর্ক মধুর ও নিবিড়"- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সাথে উক্ত সংস্থা তথা জাতিসংঘের সম্পর্ক মধুর ও নিবিড়- মন্তব্যটি যথার্থ। বিশ্বশান্তি রক্ষার মহান ব্রত নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ। ছয়টি শাখার মাধ্যমে সে মহান ব্রত পালনে সচেষ্ট হয়। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী শাখা হলো নিরাপত্তা পরিষদ। বাংলাদেশও এর প্রতিদান স্বরূপ সারাবিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের সাথে একাত্ম হয়ে কাজ করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিশ্বে শান্তি প্রাতিষ্ঠার একটি বিশেষ বাহিনী হলো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী। শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর অন্যতম সদস্য দেশ। শুরু থেকেই বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ডে সমর্থন জানাচ্ছে ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। সর্বপ্রথম ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ নামিবিয়া (UNITAG) এবং ইরাক-ইরানে (UNIIMOG) দুটি শান্তিরক্ষার অপারেশনে অংশগ্রহণের জন্য সেনাসদস্য প্রেরণ করে। তখন থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪০টি দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাকারী মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে সেনাসদস্য প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষস্থান দখল করে আছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে এ পর্যন্ত প্রায় ১.৪৬ লক্ষ সেনাসদস্য পাঠিয়েছে। ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭১০ জন নারী পুলিশ মিশন শেষ করে দেশে ফিরেছেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের এ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিবিসি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষাকারীদের The cream of UN peacekeepers [গণিত] বলে আখ্যায়িত করেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়তা করছে। ফলে দেশ অর্থনৈতিকভাবেও সমৃদ্ধ হচ্ছে। উপরিউক্ত আলোচনা প্রেক্ষিতে বলা যায়, শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের এ অবদান আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন (Full Syllabus) · সৃজনশীল
“বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সঙ্গে উক্ত সংস্থাটির…
উদ্দীপক

Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর