চল নিয়ন্ত্রণে B ও E অংশের ভূমিকা বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে B ও E অংশ দ্বারা চল নিয়নত্রণের অবস্থার ধ্রুবকতা বা সমতা এবং দৈবচয়ন কৌশল দুটিকে নির্দেশ করছে। নিচে চল নিয়ন্ত্রণে এদরে ভূমিকা তুলে ধরা হলো— সব চলকে সব সময় পরীক্ষণ পরিবেশ থেকে অপসারণ করা যায় না। এ সকল চলকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লক্ষ রাখতে হবে যে পরীক্ষণ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষণপত্রের উপরই যেন এগুলো অপরিবর্তনশীলভাবে ক্রিয়াশীল থাকে। যেমন— পরীক্ষণপাত্রের প্রতি নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত যার উপর পরীক্ষণের ফলাফল বহুলাংশে নির্ভর করে। নির্দেশাবলি মুখে বলতে গেলে কোনো বিশেষ দিক বাদ পড়তে পারে বা বিভিন্ন পরীক্ষণপাত্রের নিকট নির্দেশাবলি বলা হুবহু একই রকম নাও হতে পারে। তাই পরীক্ষণ পরিস্থিতির অপরিবর্তনশীলতা রক্ষা করার জন্য সকল পরীক্ষণপাত্রকে একই লিখিত নির্দেশাবলি প্রদান করতে হবে। এমন কিছু অবাঞ্ছিত চল আছে যা সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায় না এবং পূর্বোক্ত পদ্ধতিগুলোর সাহায্যেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, সেক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণের জন্য দৈব চয়ন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দেশ্যবিহীন কৌশলে নমুনা নির্বাচনের পন্থা অবলম্বনকেই দৈবচয়ন পদ্ধতি বলে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, চল নিয়ন্ত্রণে অবস্থার সমতা ও দৈবচয়ন কৌশল দুটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
HSC Psychology 2nd Paper Chapter 5 : মানসিক চাপ এবং মোকাবেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Psychology 2nd Paper · Chapter 5 : মানসিক চাপ এবং মোকাবেলা · সৃজনশীল
চল নিয়ন্ত্রণে B ও E অংশের ভূমিকা বর্ণনা কর।
উদ্দীপক

Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


