দৃশ্যকল্প-২ এ নির্দেশিত বিষয়টিকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় হতাশা বলা হয়।
হতাশার উৎসকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। যথা— পরিবেশগত, ব্যক্তিগত এবং দ্বন্দ্ব। পরিবেশগত প্রতিবন্ধকতার কারণে লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি হতে পারে এবং এর ফলে ব্যক্তি হতাশাগ্রস্ত হতে পারে। যেমন- সমাজের বিভিন্ন রীতি-নীতি ও বর্ণ-বৈষম্য, দরিদ্রতা এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে ব্যক্তি হতাশ হতে পারে। হতাশার দ্বিতীয় উৎস হলো ব্যক্তিগত। শারীরিক বিকৃতি, পঙ্গুত্ব, কুৎসিত চেহারা, অন্ধত্ব, বধিরতা প্রভৃতি ব্যক্তিগত ত্রুটি লক্ষ্য অর্জনে বাধা দিলে হতাশার সৃষ্টি হয়। এছাড়া লম্বায় খুবই খাটো, কৃশতা, মানসিক অক্ষমতা প্রভৃতিও হতাশার ব্যক্তিগত উৎস। হতাশার আরেকটি উৎস হলো দ্বন্দ্ব। দুটি সমান শক্তিশালী প্রেষণা যখন একইসাথে উপস্থিত হয় তখন আমরা দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই। দ্বন্দ্বের সার্থক সমাধানে ব্যর্থ হলেই হতাশার সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে, মানুষের চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই। প্রেষণা মানুষকে কোনো না কোনো কাজে চালিত করে। ফলে লক্ষ্যবস্তু লাভ করার যে ইচ্ছা তৈরি হয় তা ব্যর্থ হলে আমরা মানসিক চাপ অনুভব করি। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এ মানসিক চাপকে হতাশা বলে ।