উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ বর্ণিত প্রত্যক্ষণটি হলো সংগঠন। নিচে এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-
বিভিন্ন বস্তু থেকে আমরা যে উদ্দীপনা লাভ করি বস্তুর প্রকৃত প্রত্যক্ষণ সেগুলো থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিভিন্ন বস্তু থেকে আমরা খণ্ড খণ্ড যেসব উদ্দীপনা লাভ করি সেগুলো সুবিন্যস্ত হয়ে এক একটি বস্তু বা অবয়ব হিসেবে আমাদের অভিজ্ঞতায় ধরা পড়ে। এভাবে পার্থিব উদ্দীপকসমূহ থেকে আগত উদ্দীপনাকে সংঘবদ্ধভাবে প্রত্যক্ষণ করাই হচ্ছে প্রত্যক্ষণ সংগঠন। যেমন, বৌ কথা কও পাখিটি সত্যি বৌ কথা কও বলে না অথচ আমরা এভাবে প্রত্যক্ষণ করি। প্রত্যক্ষণ সংগঠন প্রবণতা আমরা. অনেক সময় ইচ্ছা করেও এড়িয়ে যেতে পারি না। আমাদের স্নায়ুতন্ত্র এবং ইন্দ্রিয়মণ্ডলীতে সংগঠনের একটি স্বয়ংক্রিয় প্রকাশ বিদ্যমান আছে। সংগঠন দু'ধরনের হতে পারে- উদ্দীপক উপাদান এবং জৈবিক উপাদান। উদ্দীপক উপাদান হচ্ছে নৈকট্য, সাদৃশ্য, ধারাবাহিকতা বিশেষ পরিচিতি, ফাঁক পূরণ, প্রতিসাম্য, সাধারণ বৈশিষ্ট্য। জৈবিক উপাদানগুলো ইচ্ছে চাহিদা, ঝোঁক বা প্রবণতা, আবেগ, মূল্যবোধ, মনোভাব, আগ্রহ, শিক্ষণ, ক্লান্তি প্রভৃতি। আমরা যখন কোনোকিছু প্রত্যক্ষণ করি তখন তার এক বিশেষ পটভূমির সঙ্গে তাকে যুক্ত করে প্রত্যক্ষণ করি। প্রতীক হলো সেই জিনিস যা দেখা হয় এবং পটভূমি হলো সেই পশ্চাদভূমি যার সাথে এটি অবস্থান করে।