উদ্দীপক-২ এ নিপু, দিপু ও শিক্ষকের বেলায় বুদ্ধিবৃত্তিক শিক্ষণের যথাক্রমে প্রাসঙ্গিক শিক্ষণ, অনুকরণ ও মডেলিং এবং পরীক্ষামূলক শিক্ষণের প্রকাশ ঘটেছে।
সুনির্দিষ্ট প্রেষণা, পূর্ব পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ব্যতীত প্রাণী অনেক সময় শিক্ষা লাভ করে থাকে এ শিক্ষণকে প্রাসঙ্গিক শিক্ষণ বলা হয়। অর্থাৎ প্রাসঙ্গিক শিক্ষণে কোনো প্রেষণা থাকে না যদিও প্রেষণা শিক্ষণের অন্যতম শর্ত। উদ্দীপকের নিপু জামালপুরে বন্ধু দিপুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চিনতে পারা প্রাসঙ্গিক শিক্ষণ আরেকটি বুদ্ধিবৃত্তিক শিক্ষণ হলো অনুকরণ ও মডেলিং। মানুষ সহজে অন্যকে অনুকরণ করে থাকে। প্রিয় ব্যক্তির আদর্শ ও কাজকর্ম অনুসরণ করে নিজের আচরণে পরিবর্তন আনা হলো অনুকরণ ও মডেলিং উদ্দীপকে দীপু তার প্রিয় শিক্ষকের কথা বলা, পড়াশেনা করা, পোশাক পরিধান করা ইত্যাদি অনুসরণ করা হলো অনুকরণ ও মডেলিং শিক্ষণ।
অন্যদিকে সমস্যা সংকুল ঘটনার উপাদানগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক অনুধাবন করে সমস্যার সমাধান করাকে পরিজ্ঞান বলে। পরিজ্ঞানমূলক শিক্ষণে শিক্ষার্থী কোনো কিছু শেখার সময় অন্ধের মতো বারবার ভুল সংশোধনের বদলে গোটা পরিবেশের তাৎপর্য সম্পর্কে অন্তদৃষ্টি লাভের মাধ্যমে নতুনকে আয়ত্ত করে। উদ্দীপকে নিপু ও দিপু প্রশ্নের জবাবে শিক্ষকের ভেবেচিন্তে হঠাৎ সমসার সমাধান পরিজ্ঞানমূলক শিক্ষণকে নির্দেশ করে।