উদ্দীপকে রনি চাপমূলক পরিস্থিতির পুনর্মূল্যায়ন কৌশল অবলম্বন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে। নিচে তা পাঠ্য বইয়ের আলোকে আলোচনা করা হলো-
মানুষ তার জীবনের বিভিন্ন স্তরে হতাশা, কর্মভার, দ্বন্দ্ব ইত্যাদি প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। এসব পরিস্থিতি মানসিক চাপ সৃষ্টি করে এবং এ চাপ এতটাই গভীর হয় যে তা কখনো কখনো ব্যক্তির পুরো জীবনকে বদলে দেয়। এরূপ পরিস্থিতিতে ব্যক্তি নানাভাবে মানসিক চাপ সামলানোর চেষ্টা করে এবং নিজেকে চাপমুক্ত রাখার প্রচেষ্টা চালায়। ব্যক্তি চাপ সামলানোর জন্য যে সকল কৌশল অবলম্বন করে তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো চাপমূলক ঐ পরিস্থিতির পুর্নমূল্যায়ন করা। এছাড়াও ব্যক্তি চাপ মোকাবিলার পশ্চাদপ্রসারণ, সমঝোতা এবং বিভিন্ন প্রকারের আত্মরক্ষামূলক কৌশল অবলম্বন করে থাকে।
উদ্দীপকে রনি তার মানসিক চাপ কমনোর জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মূল্যায়ন করে। এখানে সে প্রকৃত সমস্যাটিকে চিহ্নিত করে চাপ সামলানোর মতো প্রয়োজনীয় মানসিক শক্তি সঞ্চয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে। ফলে রনি দৃঢ় মানসিক শক্তি নিয়ে পুনরায় নব উদ্যমে ব্যর্থতাকে সফলতায় পরিণত করার জন্য আত্মনিয়োগ করে এবং সবশেষে সে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। আমরা চাপমূলক পরিস্থিতির পুনর্মূল্যায়নের দিকে খেয়াল করলে দেখতে পাই, সেখানে চাপ সৃষ্টিকারী সমস্যার জন্য সরাসরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। তাই দেখা যায়, সেখানে ঐ পরিস্থিতির সঠিক পুনর্মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, হতাশাজনক পরিস্থিতিতে আমাদের একেবারেই ভেঙে পড়া উচিত নয় বরং দৃঢ় মানসিক প্রত্যয় নিয়ে উক্ত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। তাহলে সকল প্রকার দ্বন্দ্ব-হতাশার অবসান ঘটিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানো সম্ভব হবে।