দৃশ্যকল্প-২ এ স্মৃতির উপাদানগুলো ছকাকারে তুলে ধরা হয়েছে যেখানে C ও D চিহ্নিত অংশে যথাক্রমে বসবে পুনরুদ্রেক, এবং প্রত্যভিজ্ঞা বা পুনজ্ঞান। নিচে এ দুটি বর্ণনা করা হলো-
পুনরুদ্রেক: যা শিক্ষা করা হয়েছে এবং পরে সংরক্ষিত হয়েছে তা যদি পুনরায় ব্যক্ত করা যায় তাহলে আমরা তাকে স্মৃতি বলতে পারি। স্মৃতির প্রমাণ হলো পুনরুদ্রেক বা পুনরুৎপাদন বা পুনরুজ্জীবনের মধ্য দিয়ে। মনে সংরক্ষিত অব্যক্ত প্রতিরূপ ব্যক্ত করাকে বলে পুনরুদ্রেক। উদাহরণস্বরূপ, একটি কবিতা মুখস্থ করে পরে যথাযথভাবে বলতে পারার নাম পুনরুদ্রেক।
প্রত্যভিজ্ঞা বা পুনজ্ঞান: যে বিষয়টিকে পূর্বে জানা হয়েছিল, তাই
পুনর্বার জ্ঞাত হচ্ছে, এরূপ জ্ঞানকে প্রত্যভিজ্ঞা বলে। পুনর্জান বা প্রত্যভিজ্ঞা ছাড়া স্মরণক্রিয়া অসম্পূর্ণ থেকে যায়। হয়ত পূর্বজ্ঞাত বিষয়টি উপস্থাপন করা হলো, অথচ তাকে পূর্বজ্ঞাত বলে চিনতে পারা গেল না। এরূপক্ষেত্রে পূর্বজ্ঞাত বিষয়ের পুনরুদ্রেক হওয়া বা না হওয়া সমান কথা। তাই প্রত্যভিজ্ঞা স্মরণের অপরিহার্য অঙ্গ।