দৃশ্যকল্প-২ এ C ও D শনাক্ত কর এবং বিশ্লেষণ কর ।
উত্তর: দৃশ্যকল্প-২ এ স্মৃতির উপাদানগুলো ছকাকারে তুলে ধরা হয়েছে যেখানে C ও D চিহ্নিত অংশে যথাক্রমে বসবে পুনরুদ্রেক এবং প্রত্যভিজ্ঞা বা পুনজ্ঞান। নিচে এ দুটি বর্ণনা করা হলো: পুনরুদ্রেক : যা শিক্ষা করা হয়েছে এবং পরে সংরক্ষিত হয়েছে তা যদি পুনরায় ব্যক্ত করা যায় তাহলে আমরা তাকে স্মৃতি বলতে পারি। স্মৃতির প্রমাণ হলো পুনরুদ্রেক বা পুনরুৎপাদন বা পুনরুজ্জীবনের মধ্য দিয়ে। মনে সংরক্ষিত অব্যক্ত প্রতিরূপ ব্যক্ত করাকে বলে পুনরুদ্রেক । উদাহরণস্বরূপ, একটি কবিতা মুখস্থ করে পরে যথাযথভাবে বলতে পারার নাম পুনরুদ্রেক । প্রত্যভিজ্ঞা বা পুনর্জ্জান : যে বিষয়টিকে পূর্বে জানা হয়েছিল, তাই পুনর্বার জ্ঞাত হচ্ছে, এরূপ জ্ঞানকে প্রত্যভিজ্ঞা বলে। পুনজ্ঞান বা প্রত্যভিজ্ঞা ছাড়া স্মরণক্রিয়া অসম্পূর্ণ থেকে যায়। হয়ত পূর্বজ্ঞাত বিষয়টি উপস্থাপন করা হলো, অথচ তাকে পূর্বজ্ঞাত বলে চিনতে পারা গেল না। এরূপক্ষেত্রে পূর্বজ্ঞাত বিষয়ের পুনরুদ্রেক হওয়া বা না হওয়া সমান কথা । তাই প্রত্যভিজ্ঞা স্মরণের অপরিহার্য অঙ্গ ।
HSC Psychology 1st Paper Chapter 5 : শিক্ষণ ও স্মৃতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Psychology 1st Paper · Chapter 5 : শিক্ষণ ও স্মৃতি · সৃজনশীল
দৃশ্যকল্প-২ এ C ও D শনাক্ত কর এবং বিশ্লেষণ কর ।
উদ্দীপক

Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
১. সংকেত গ্রহণ বা রূপান্তর : পরিবেশ থেকে আগত উদ্দীপনা (শিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বা তথ্য) সংবেদী প্রক্রিয়ায় স্নায়বিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে মস্তিষ্কে প্রেরণ করাকে সংকেত গ্রহণ বলা হয় । মস্তিষ্ক বিভিন্নভাবে এই সংকেত গ্রহণ করে। যেমন— দর্শনগত, শব্দগত ও অর্থগত ।
২.সংরক্ষণ : সংরক্ষণ হলো তথ্যের স্নায়বিক শক্তিতে রূপান্তরিত সংকেত যা তথ্যগুলোকে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য মস্তিষ্কের স্মৃতি কেন্দ্রে ধারণ করে রাখে ।
৩. পুনরুদ্রেক : পুনরুদ্রেক হলো মস্তিষ্কের স্মৃতি ভাণ্ডার থেকে সংরক্ষিত তথ্য প্রয়োজন অনুসারে খুঁজে বের করা বা ব্যবহার করা। এটি স্মৃতি প্রক্রিয়ার সর্বশেষ স্তর ।উত্তর
