উদ্দীপকে উল্লিখিত চিংড়ির বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা কর ।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত চিংড়ি হচ্ছে গলদা চিংড়ি যা বাংলাদেশে সাদা সোনা নামে পরিচিত । নিচে গলদা চিংড়ির বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা করা হলো- ১. গলদা চিংড়ি সাধারণত হালকা নীল কিংবা হালকা সবুজ রঙের হয়ে থাকে । ২. এর দ্বিতীয় চলনপদ বড় ও সাঁড়াশিযুক্ত এবং নীল কালচে রঙের হয়ে থাকে । ৩. রোস্ট্রামের উপরিভাগে ১১ থেকে ১৪টি দাঁত ও নিচের অংশে ৮ থেকে ১৪টি দাঁত থাকে । ৪. গলদার পোনার খোলসে ২ থেকে ৫টি কালচে আড়াআড়ি দাগ থাকে । ৫. এদের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ মিমি এবং ওজন প্রায় ৩৫০ গ্রাম হয়ে থাকে । ৬. গলদা চিংড়ির মাথা দেহের তুলনায় বড় হয়ে থাকে। ৭. এরা স্বাদু বা মিঠা পানিতে বসবাস করে। ৮. উদ্ভিদজাত ও প্রাণিজাত সব খাদ্যই খায় । ৯. স্ত্রী চিংড়ি ডিমগুলো সন্তারণ পদের মধ্যে ধারণ করে ৷
HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র Chapter 1 : মৎস্য চাষ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র · Chapter 1 : মৎস্য চাষ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত চিংড়ির বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা কর ।
উদ্দীপক
Dhaka · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
সার দেওয়ার ১ দিন পর হররা টেনে ক্ষতিকর গ্যাস বের করে দিতে হবে। সার দেওয়ার পরপরই পানির গভীরতা ৪০-৫০ সে.মি. পর্যন্ত বাড়িয়ে ১ সপ্তাহ রাখতে হবে। অতঃপর পানির রং সবুজ হলে পুকুরের মধ্যে কিছু শুকনা নারিকেল পাতা বাঁশের কঞ্চি পুঁতে দিতে হবে। এতে করে পোনা ছাড়ার জন্য পুকুর প্রস্তুত হয়ে যাবে।
