উদ্দীপকের মৎস্য কর্মকর্তার শেষ উক্তিটির সাথে কি তুমি একমত? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকের মৎস্য কর্মকর্তার শেষ উক্তিটি হচ্ছে— মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হলো সম্পূরক খাদ্য। আমি মৎস্য কর্মকর্তার উক্তিটির সাথে একমত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- আমাদের দেশে মাছের নিবিড় চাষের জন্য আনুপাতিক হারে অধিক সংখ্যক পোনা মজুদ করা হয়। কিন্তু পুকুরে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন হয় তা ঐ মজুদকৃত পোনার জন্য যথেষ্ট নয়। তাই মাছের খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য সম্পূরক খাদ্য সরবরাহ করতে হয়। মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক খাদ্য চাহিদা অনুযায়ী আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ ইত্যাদি উপাদানের অভাব পূরণ করতে পারে না। সম্পূরক খাদ্যের মাধ্যমে এ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব । সুষম সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগে মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়। এ খাদ্য প্রয়োগে পোনার বাঁচার হার বৃদ্ধি পায় ও মৃত্যুর হার হ্রাস পায়। এ জাতীয় খাদ্য প্রদানে পুকুরে সুস্থ ও সবল পোনা পাওয়া যায়। সম্পূরক খাদ্য প্রদানের ফলে মাছের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অল্প জায়গায় অধিক ঘনত্বের মাছ চাষ করা যায়। পুকুর হতে অল্প সময়ে অধিক মাছ লাভ করা যায়। সঠিকভাবে অন্যান্য সকল প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা করার পরও শুধুমাত্র সম্পূরক খাবারের অভাবে সকল প্রযুক্তি ব্যর্থ হতে বাধ্য । উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, “সম্পূরক খাবার মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি”- মৎস্য কর্মকর্তার উক্তিটি যথার্থ।
HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র Chapter 1 : মৎস্য চাষ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র · Chapter 1 : মৎস্য চাষ · সৃজনশীল
উদ্দীপকের মৎস্য কর্মকর্তার শেষ উক্তিটির সাথে কি তুমি একমত? বিশ্লেষণ…
উদ্দীপক
Dhaka · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
এ উপাদানগুলো গুঁড়া করে একত্রে মিশিয়ে পানি দিয়ে মণ্ড তৈরি করে পিলেট মেশিনে বড়ি তৈরি করতে হবে এবং শুকিয়ে পুকুরে প্রয়োগ করতে হবে। খাদ্যের পরিমাণ পোনার বয়স অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে। খাদ্যের পরিপূর্ণ ও কার্যকর ব্যবহারের জন্য পুকুরের নির্দিষ্ট স্থানে প্রয়োগ করতে হবে। এ খাদ্যকে দুটি ভাগে ভাগ করে একভাগ সকালে এবং একভাগ বিকালে প্রয়োগ করতে হয়। চালের কুঁড়া বা গমের ভুসি নাইলোটিকার উৎকৃষ্ট সম্পূরক খাদ্য ।উত্তর

