উদ্দীপকে উল্লিখিত মাছটি হলো নাইলোটিকা। নিচে নাইলোটিকা মাছ চাষের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা' হলো-
নাইলোটিকা একটি দ্রুত বর্ধনশীল ও উচ্চ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মাছ। মিনি পুকুর বা মজা জলাশয় ইত্যাদি অল্প পরিসরের জলাশয়েও এ মাছের পর্যাপ্ত ফলন পাওয়া যায়। এতে পরিবারভিত্তিক মাছ উৎপাদন ও চাহিদা পূরণ সহজতর হয়ে থাকে। চালের কুঁড়া, গমের ভুসি, রান্না ঘরের উচ্ছিষ্ট, কসাইখানার বর্জ্য ইত্যাদি সহজলভ্য খাদ্যের ওপর সহজেই অভ্যস্ত হয়। অর্থাৎ নাইলোটিকা মাছ চাষ ব্যবস্থাপনায় খাদ্য খরচ বেশ কম হয়। পোনা মজুদ থেকে চার মাসের মধ্যে মাছ আহরণ উপযোগী হয়। এ মাছ দেশের অনেক জনপ্রিয় মাছের তুলনায় বেশি সুস্বাদু। শতাংশ প্রতি এ মাছের উৎপাদন অন্যান্য মাছের চেয়ে বেশি। এ মাছকে বাগদা চিংড়ি, ভেটকি ও রাজপুঁটির সাথে মিশ্রভাবেও চাষ করা যায়। নদীতে খাচায় এ মাছ চাষ করা যায়। নাইলোটিকা বছরে দুইবার চাষ করা যায়, ফলে দ্বিগুণ টাকা আয় করা যায়।
অতএব উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায়, নাইলোটিকা মাছ চাষ করে অনেক বেশি লাভবান হওয়া যায়।