উদ্দীপকের চিত্র-ক এবং চিত্র-খ যথাক্রমে গলদা চিংড়ি এবং বাগদা চিংড়ি। গলদা চিংড়ি ও বাগদা চিংড়ির সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
সাদৃশ্য গলদা চিংড়ি এবং বাগদা চিংড়ি উভয়েরই শিরোবক্ষে রোম বিদ্যমান যা দেখতে সব তরবারির ন্যায়। উভয় চিংড়ির ক্ষেত্রে রোস্ট্রামের দু'পাশে দুটি সবৃন্তক পুঞ্জাক্ষি বর্তমান। উভয়, চিংড়ির দেহ কাইটিন নামক পদার্থ দ্বারা ঢাকা থাকে।
বৈসাদৃশ্য : গলদা চিংড়ির মাথা ও ক্যারাপেস আকারে বড়, দেহের ওজনের প্রায় অর্ধেক।
আর বাগদা চিংড়ির মাথা ও ক্যারাপেস তুলনামূলকভাবে ছোট,দেহের ওজনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। গলদ চিংড়ির রোস্ট্রাম আকারে বড় ও বাঁকানো। কিন্তু বাগদা চিংড়ির রোস্ট্রাম তুলনামূলকভাবে ছোট ও সোজা । গলদা চিংড়ির দেহে ৫-৬টি হালকা নীল বা সবুজ ডোরা দাগ থাকে। পরদিকে বাগদা চিংড়ির দেহ খণ্ডাংশের উপর ৫-৬টি উল্লম্ব কালো দাগ বিদ্যমান। আবার গলদা চিংড়ির কিলেট বা চিমটা ২ জোড়া, ২য় জোড়া অনেক বড়। আর বাগদা চিংড়ির কিলেট বা চিমটা ৩ জোড়া। গলদা চিংড়ি হালক সবুজ থেকে বাদামি বর্ণের হয়ে থাকে। অন্যদিকে বাগদা চিংড়ি হালক বাদামি বা সবুজ। স্ত্রী গলদা চিংড়ি নিষিক্ত ডিম বুকে ধারণ করে। কিন্তু বাগদা চিংড়ি বুকে ডিম ধারণ করে না। গলদা চিংড়ি স্বাদু পানিতে বসবাস করে তবে প্রজননের সময় আধা লবণাক্ত পানিতে আসে। অন্যদিকে বাগদা চিংড়ি আধা লবণাক্ত পানিতে বসবাস করে, তবে প্রজননের সময় সমুদ্রের বেশি লবণাক্ত পানিতে চলে যায় ।